কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮
কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
মাঠ ফসল কী?
- খ)(2)
সামাজিক বনায়ন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
- গ)(3)
উদ্দীপকের চিত্র-২ কৃষির তথ্য ও সেবা প্রাপ্তিতে কীভাবে ভূমিকা রাখছে তা ব্যাখ্যা করো ।
- ঘ)(4)
চিত্র-১ ও চিত্র-২ এর মধ্যে কোনটি কৃষি উন্নয়নে অধিকতর উপযোগী? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যেসব ফসল সাধারণত খোলা ও বিস্তৃত মাঠে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয় এবং যার প্রতিটি উদ্ভিদের আলাদা যত্নের প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে। যেমন: ধান, গম, পাট ইত্যাদি।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক বনায়ন গ্রামীণ অর্থনীতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে পতিত জমি, সড়ক, রেলপথ ও বাঁধের পাশে এ বনায়ন করা হয়। এর ফলে গ্রামীণ জনগণের কাঠ, জ্বালানি ও খাদ্যের চাহিদা পূরণ হয়, অতিরিক্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন হয় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধসহ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-২ এ প্রদর্শিত প্রযুক্তিটি হলো মোবাইল ফোন (স্মার্টফোন), যা বর্তমানে কৃষিতথ্য ও সেবা প্রাপ্তিতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখছে।
কৃষকরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসেই খুব দ্রুত কৃষিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পেয়ে থাকেন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরাসরি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কিংবা 'কৃষি কল সেন্টার' (যেমন- ১৬১২৩)-এ ফোন করে তাৎক্ষণিক পরামর্শ নেওয়া যায়। এছাড়া এসএমএস বা ভয়েস বার্তার মাধ্যমে কৃষি বিশেষজ্ঞগণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস, রোগবালাই দমন ও নতুন জাতের ফসলের তথ্য কৃষকদের সরবরাহ করেন। স্মার্টফোনে বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক অ্যাপ ব্যবহার করে এবং ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে রোগাক্রান্ত ফসলের ছবি তুলে পাঠিয়ে বিশেষজ্ঞ মত পাওয়া যায়। এভাবে মোবাইল ফোন অতি সহজে এবং স্বল্প খরচে কৃষকের দোরগোড়ায় তথ্য ও সেবা পৌঁছে দিতে ভূমিকা রাখছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-১ হলো কম্পিউটার/ল্যাপটপ এবং চিত্র-২ হলো মোবাইল ফোন। সাধারণ কৃষকদের সার্বিক আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ও ব্যবহারের সহজলভ্যতার দিক বিবেচনা করলে কৃষি উন্নয়নে চিত্র-২ (মোবাইল ফোন)-এর ব্যবহার অধিকতর উপযোগী।
কম্পিউটার/ল্যাপটপের মাধ্যমে বিস্তারিত কৃষি তথ্য সংরক্ষণ, উন্নত গবেষণা ও বিশদ প্রশিক্ষণ সম্ভব হলেও এর দাম তুলনামূলক অনেক বেশি এবং এটি মাঠে বহন করা কঠিন। অন্যদিকে মোবাইল ফোন অত্যন্ত সহজলভ্য, কম ব্যয়বহুল এবং যেকোনো জায়গায় বহনযোগ্য। সাধারণ কৃষকদের অধিকাংশই কম্পিউটার পরিচালনায় দক্ষ নন, কিন্তু মোবাইল ফোন ব্যবহারে পারদর্শী।
মাঠে কাজ করার সময় তাৎক্ষণিকভাবে ফসলের রোগ বা পোকা আক্রমণের শিকার হলে কৃষক মোবাইল দিয়ে ছবি তুলে বিশেষজ্ঞের সাথে ভিডিও কলে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা কল সেন্টারে কথা বলে সমাধান পান। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষিঋণ গ্রহণ বা ভর্তুকির টাকা সহজে পাওয়া যায়। আবহাওয়ার জরুরি সতর্কবার্তা সবার কাছে দ্রুত পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও মোবাইল ফোন সবচেয়ে কার্যকর।
অতএব, বাংলাদেশের প্রান্তিক কৃষক ও বাস্তব মাঠপর্যায়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় কৃষি উন্নয়নে কম্পিউটার অপেক্ষা মোবাইল ফোন (চিত্র-২) অধিকতর উপযোগী ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও