ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৬
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
ছোট হয়ে গেছে পৃথিবী। আমরা সবাই সবার হাতের মুঠোয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং-এ আলাদিনের দৈত্যের হাতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী মাধ্যমের নাম আলাদিনের চেরাগ। এই আলাদিনের চেরাগ নামক একটি সার্ভারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করলেই বিশ্বের সকল সার্ভারের সাথে যোগাযোগ হয়। ফলে মানুষ ঘরে বসেই ব্যবসায়িক সব ধরনের কার্যক্রম করতে পারছে।
- ক)(1)
ফলাবর্তন কী?
- খ)(2)
নিম্নগামী যোগাযোগ বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে আলাদিনের চেরাগ নামক একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং মাধ্যমের নাম কি? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে কোন কোন উপাদান ব্যবহার করে আমরা সবাই সবার হাতের মুঠোয়? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যোগাযোগ প্রক্রিয়ায় প্রেরকের প্রেরিত বার্তার বিপরীতে প্রাপকের দেওয়া প্রতিক্রিয়া বা উত্তরকে ফলাবর্তন (Feedback) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক পদমর্যাদার উচ্চস্তর থেকে ক্রমান্বয়ে নিম্নস্তরের কর্মীদের দিকে যে যোগাযোগ প্রবাহিত হয়, তাকে নিম্নগামী যোগাযোগ (Downward Communication) বলে। সাধারণত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো আদেশ, নির্দেশ, নীতিমালা, পরিকল্পনা বা দিকনির্দেশনা অধস্তনদের জানানোর ক্ষেত্রে এ ধরনের যোগাযোগ ব্যবহৃত হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'আলাদিনের চেরাগ' নামক একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং মাধ্যমের নাম হলো ইন্টারনেট (Internet)।
ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত পারস্পরিক সংযুক্ত একাধিক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, যা 'নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক' হিসেবে পরিচিত। এর মাধ্যমে যেকোনো কম্পিউটার বা সার্ভার অন্য যেকোনো প্রান্তের সার্ভারের সাথে ডেটা ও তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।
উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে একটি সার্ভারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করলেই বিশ্বের সকল সার্ভারের সাথে যোগাযোগ স্থাপিত হয় এবং মানুষ ঘরে বসেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে। এই ধারণাটি ইন্টারনেটের মৌলিক কার্যপদ্ধতিকেই নির্দেশ করে, যা আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং-এর মাধ্যমে আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন উপাদান যেমন—স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমেই পৃথিবী আজ আমাদের হাতের মুঠোয় এসেছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ভৌগোলিক দূরত্ব সম্পূর্ণরূপে সংকুচিত হয়েছে। নিম্নে উপাদানগুলোর ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হলো:
১. হার্ডওয়্যার উপাদান (স্মার্টফোন, কম্পিউটার, সার্ভার): ব্যবহারকারীর হাতে নেটওয়ার্কের সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার মূল ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
২. ইন্টারনেট ও ওয়েব ব্রাউজার: বৈশ্বিক তথ্যভাণ্ডার ও দূরবর্তী মানুষের সাথে তাৎক্ষণিক সংযোগ স্থাপনের মাধ্যম।
৩. ই-মেইল ও তাৎক্ষণিক বার্তা প্রেরণ মাধ্যম: ব্যবসায়িক নথি, সিদ্ধান্ত এবং ব্যক্তিগত বার্তা মুহূর্তে প্রেরণের সুযোগ দেয়।
৪. ই-কমার্স ও টেলিকনফারেন্সিং: ঘরে বসেই কেনাকাটা, ব্যাংকিং লেনদেন এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সভা পরিচালনার সুযোগ দেয়।অতএব, কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং-এর এসকল আধুনিক উপাদান ব্যবহার করার কারণেই বৈশ্বিক দূরত্ব দূর হয়ে বিশ্ব একটি একক গ্রামে (Global Village) পরিণত হয়েছে এবং মানুষ সত্যি সত্যিই সবার হাতের মুঠোয় চলে এসেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও