‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা • রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

নজরুল ইসলাম একজন রাজনৈতিক দলের নেতা। তিনি যেমন সাধারণ জনগণের কাছে জনপ্রিয় একই সাথে তিনি নিজের ব্যক্তিত্ব ও গুণাবলি দ্বারা তার দলের মধ্যেও সমান ভূমিকা রাখেন। জনগণের উন্নয়নেও তিনি কাজ করে চলেছেন।

  1. ক)

    বহুদলীয় ব্যবস্থার ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?

    (1)
  2. খ)

    রাজনৈতিক ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে নজরুল ইসলামের যে গুণাবলি প্রতিফলিত হয়েছে তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে আলোচনা কর।'

    (3)
  4. ঘ)

    নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে সুশাসন প্রতিষ্ঠা কি সম্ভব? ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বহুদলীয় ব্যবস্থার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Multi-party system'।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য হলো:
    ১. রাজনৈতিক দলের প্রত্যক্ষ উদ্দেশ্য থাকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করা, কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী দল নির্বাচনে অংশ নেয় না বা সরাসরি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে চায় না।
    ২. রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য বহুমুখী ও জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, পক্ষান্তরে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী মূলত নিজেদের গোষ্ঠীর নির্দিষ্ট স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নজরুল ইসলামের নেতৃত্বের গুণাবলি অর্থাৎ 'আদর্শ রাজনৈতিক নেতৃত্বের' বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে।

    পাঠ্যবইয়ের আলোকে নেতৃত্বের মূল গুণাবলি হলো ব্যক্তিত্ব, বাগ্মীতা, দূরদর্শিতা, জনকল্যাণকামী মনোভাব এবং দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষমতা। একজন দক্ষ নেতা দল ও জনগণের মাঝে যোগসূত্র স্থাপন করেন এবং তাঁর ব্যক্তিত্ব দিয়ে উভয় পক্ষকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।

    উদ্দীপকের নজরুল ইসলাম একদিকে যেমন সাধারণ জনগণের কাছে তাঁর কাজের মাধ্যমে জনপ্রিয়, তেমনি ব্যক্তিগত গুণাবলি ও ব্যক্তিত্বের শক্তিতে নিজের দলের ভেতরেও নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। একই সাথে তিনি জনকল্যাণমুখী কাজে নিয়োজিত। এসব বৈশিষ্ট্য পাঠ্যবইয়ে আলোচিত একজন যোগ্য ও আদর্শ রাজনৈতিক নেতার গুণাবলিকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, নজরুল ইসলামের মতো জনকল্যাণকামী ও যোগ্য ব্যক্তিত্বের নেতৃত্বে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

    সুশাসনের প্রধান উপাদানগুলো হলো আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র পরিচালনা। এগুলো নিশ্চিত করার পেছনে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।

    উদ্দীপকে নজরুল ইসলাম কেবল দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্যই বজায় রাখেন না, বরং সাধারণ জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন এবং জনগণের উন্নয়নে নিবেদিত হয়ে কাজ করছেন। এমন নেতা যখন রাষ্ট্রক্ষমতায় বা সরকার পরিচালনায় প্রভাব বিস্তার করেন, তখন তিনি সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে গণমানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন। তাঁর সততা, দূরদর্শিতা ও দলীয় নিয়ন্ত্রণ প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সহায়ক হয়।

    সুতরাং, নজরুল ইসলামের মতো আদর্শ নেতৃত্ব রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে একটি কার্যকর সুশাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সম্পূর্ণ সক্ষম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন