ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২১

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

ইউনিক লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ' এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মি. রাইসুল। তিনি তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এক পদ থেকে অন্য পদে স্থানান্তর করে অভিজ্ঞ তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কার্যসম্পাদনে তাদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলে। এতে কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মনোবল ও মানসিক অবস্থার উন্নতি ঘটে।

  1. ক)

    সরল রৈখিক সংগঠন কী?

    (1)
  2. খ)

    পদোন্নতি বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    মি. রাইসুল কোন পদ্ধতিতে কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রশিক্ষণ কর্মীদের মনোবল উন্নয়নে কতটুকু সহায়ক বলে তুমি মনে কর? মতামত দাও

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে সংগঠন কাঠামোতে কর্তৃত্বের রেখা শীর্ষ নির্বাহীর কাছ থেকে সরাসরি নিচের দিকে ক্রমান্বয়ে নেমে আসে, তাকে সরলরৈখিক সংগঠন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পদোন্নতি বলতে একজন কর্মীকে তার বর্তমান পদমর্যাদা থেকে উচ্চতর কোনো পদে উন্নীত করাকে বোঝায়। পদোন্নতির ফলে কর্মীর দায়িত্ব, ক্ষমতা, আর্থিক সুযোগ-সুবিধা এবং সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পায়, যা কর্মীদের কাজে অধিক অনুপ্রাণিত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মি. রাইসুল তার প্রতিষ্ঠানে কর্মীদের কাজের ওপর প্রশিক্ষণ বা 'কাজে বহাল রেখে প্রশিক্ষণ' (On-the-job training) পদ্ধতির আওতাভুক্ত 'পদ পরিবর্তন বা পদ আবর্তন' (Job Rotation) পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

    যে প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে কর্মীদের প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে না নিয়ে প্রকৃত কর্মপরিবেশে রেখে অভিজ্ঞ তত্ত্বাবধায়কের অধীনে হাতে-কলমে কাজ শেখানো হয়, তাকে কাজে বহাল রেখে প্রশিক্ষণ বলে। এর একটি অন্যতম কৌশল হলো পদ পরিবর্তন, যেখানে কর্মীকে নির্দিষ্ট সময় পরপর এক টেবিল বা বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে স্থানান্তর করা হয়।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. রাইসুল কর্মীদের এক পদ থেকে অন্য পদে স্থানান্তর করে অভিজ্ঞ তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। এভাবে বাস্তব কাজের পরিবেশে পদ আবর্তন ঘটিয়ে দক্ষতা বাড়ানোই হলো পদ আবর্তন প্রশিক্ষণ পদ্ধতি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রশিক্ষণ পদ্ধতি (পদ আবর্তন ও অভিজ্ঞ তত্ত্বাবধায়কের অধীনে প্রশিক্ষণ) কর্মীদের মনোবল উন্নয়নে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করে। নিম্নে মতামত উপস্থাপন করা হলো:

    একই ধরনের কাজ দীর্ঘদিন একটানা করতে থাকলে কর্মীদের মধ্যে একঘেয়েমি চলে আসে, যা কাজের প্রতি তাদের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। কিন্তু যখন কর্মীদের এক পদ থেকে অন্য পদে আবর্তন করা হয়, তখন কাজের একঘেয়েমি দূর হয় এবং তারা নতুন নতুন কাজ শেখার সুযোগ পায়।

    উদ্দীপকে মি. রাইসুল অভিজ্ঞ তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে বিভিন্ন পদে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বহুমুখী কাজে দক্ষ করে তুলছেন। এর ইতিবাচক প্রভাবগুলো হলো:
    ১. কাজের বৈচিত্র্য কর্মীদের মানসিক ক্লান্তি দূর করে এবং তাদের ভেতরে উদ্দীপনা তৈরি করে।
    ২. বিভিন্ন কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করায় কর্মীদের আত্মবিশ্বাস ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
    ৩. বহুমুখী যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মী হিসেবে গড়ে ওঠায় প্রতিষ্ঠানে তাদের পদোন্নতির সম্ভাবনা বাড়ে, যা তাদের সন্তুষ্টি বৃদ্ধি করে।

    কাজেই, এ ধরনের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি কর্মীদের মানসিক অবস্থার উন্নতি ঘটিয়ে ও কাজের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে তাদের মনোবল উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করতে পুরোপুরি সহায়ক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন