যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
বিধেয় কাকে বলে?
- খ)(2)
'ছাত্র', 'পিতা' শব্দগুলোকে সাপেক্ষ পদ বলা হয় কেন?
- গ)(3)
চিত্র-২ কোন ধরনের যুক্তিবাক্যকে প্রকাশ করছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
পদের ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুসরণ করে চিত্র-১ ও চিত্র-৩-এর মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে যা কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করা হয়, তাকে বিধেয় বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে পদের অর্থ অন্য কোনো পদের সাহায্য বা সম্পর্কের উল্লেখ ছাড়া পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় না, তাকে সাপেক্ষ পদ বলে। 'ছাত্র' পদটি বুঝতে হলে অবধারিতভাবেই 'শিক্ষক' বা 'বিদ্যালয়'-এর ধারণা উপস্থিত হতে হয়। একইভাবে 'পিতা' হতে হলে অবশ্যই 'সন্তান' থাকার সম্পর্ক অপরিহার্য। যেহেতু এদের অর্থ পরস্পর সম্পর্কিত অন্য একটি পদের ওপর নির্ভরশীল, তাই 'ছাত্র' ও 'পিতা' শব্দগুলোকে সাপেক্ষ পদ বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-২ সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য বা 'E' যুক্তিবাক্যকে প্রকাশ করছে।
চিত্রটিতে দেখা যাচ্ছে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় অংশই ছায়াঘেরা বা হ্যাশচিহ্নযুক্ত। নিচে সংকেতে বলা আছে ছায়াঘেরা অংশটি 'ব্যাপ্য' নির্দেশ করে। সুতরাং, চিত্র-২ এমন একটি যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করছে যার উদ্দেশ্য এবং বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য।
পদের ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুযায়ী, সার্বিক যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য হয় এবং নঞর্থক যুক্তিবাক্যের বিধেয় পদ ব্যাপ্য হয়। ফলে 'E' যুক্তিবাক্য (সার্বিক নঞর্থক বাক্য, যেমন: "কোনো মানুষ নয় অমর") একই সঙ্গে সার্বিক ও নঞর্থক হওয়ার কারণে এর উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য। অতএব, চিত্র-২ 'E' যুক্তিবাক্যকে সার্থকভাবে প্রকাশ করছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-১ সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য ('A' বাক্য) এবং চিত্র-৩ বিশেষ নঞর্থক যুক্তিবাক্য ('O' বাক্য)-কে নির্দেশ করে। পদের ব্যাপ্যতার নিয়ম অনুসারে এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান।
পদের ব্যাপ্যতার মূল নিয়ম দুটি:
১. সার্বিক বাক্য উদ্দেশ্য পদকে ব্যাপ্য করে, কিন্তু বিশেষ বাক্য উদ্দেশ্য পদকে ব্যাপ্য করে না (অব্যাপ্য রাখে)।
২. নঞর্থক বাক্য বিধেয় পদকে ব্যাপ্য করে, কিন্তু সদর্থক বাক্য বিধেয় পদকে ব্যাপ্য করে না (অব্যাপ্য রাখে)।চিত্র-১ ও চিত্র-৩-এর মধ্যে তুলনামূলক পার্থক্য নিচে আলোচনা করা হলো:
১. উদ্দেশ্য পদের ব্যাপ্যতা: চিত্র-১-এ উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য (ছায়াঘেরা) এবং বিধেয় অব্যাপ্য। এটি সার্বিক সদর্থক বা 'A' যুক্তিবাক্যের বৈশিষ্ট্য (যেমন: "সকল মানুষ হয় মরণশীল")। অন্যদিকে, চিত্র-৩-এ উদ্দেশ্য পদটি ফাঁকা বা অব্যাপ্য এবং বিধেয় ব্যাপ্য (ছায়াঘেরা)। এটি বিশেষ নঞর্থক বা 'O' যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে (যেমন: "কিছু মানুষ নয় সৎ")।
২. বিধেয় পদের ব্যাপ্যতা: 'A' যুক্তিবাক্য সদর্থক হওয়ায় এর বিধেয় পদ সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ নিয়ে ব্যবহৃত হয় না, অর্থাৎ অব্যাপ্য থাকে। কিন্তু 'O' যুক্তিবাক্য নঞর্থক হওয়ায় এর বিধেয় পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে উদ্দেশ্য থেকে পৃথক করা হয়, যার ফলে বিধেয় পদটি ব্যাপ্য হয়।
৩. সামগ্রিক গঠনগত বিপরীতমুখিতা: চিত্র-১-এ কেবল উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য কিন্তু বিধেয় অব্যাপ্য; বিপরীতে চিত্র-৩-এ উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য কিন্তু বিধেয় পদ ব্যাপ্য। অর্থাৎ, চিত্র-১ ও চিত্র-৩ ব্যাপ্যতার দিক থেকে পরস্পরের সম্পূর্ণ বিপরীত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও