জীববিজ্ঞান ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২২

জীববিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

আমিষ খাদ্য পটাসিয়াম ইউরেট→ ইউরিক এসিড।

  1. ক)

    রেচন কী?

    (1)
  2. খ)

    সিলোম ও হিমোসিলের পার্থক্য লেখো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াটি ঘাসফড়িং যে অঙ্গের মাধ্যমে সম্পন্ন করে, তার বর্ণনা দাও।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়াটি ঘাসফড়িং-এ কীভাবে সম্পন্ন হয়? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবের দেহে বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে বাইরে নিষ্কাশিত হয়, তাকে রেচন বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সিলোম ও হিমোসিলের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:
    ১. উৎপত্তি ও প্রকৃতি: সিলোম মেসোডার্ম উদ্ভূত পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত প্রকৃত দেহগহ্বর। অন্যদিকে, হিমোসিল ব্লাস্টোসিল থেকে উদ্ভূত এবং পেরিটোনিয়াম পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে না।
    ২. উপাদান ও কাজ: সিলোম সিলোমিক রসে পূর্ণ থাকে এবং সংবহনতন্ত্রের অংশ নয়। পক্ষান্তরে, হিমোসিল রক্ত বা হিমোলিম্ফে পূর্ণ থাকে এবং উন্মুক্ত সংবহনতন্ত্রের অংশ হিসেবে কাজ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি হলো রেচন প্রক্রিয়া, যা ঘাসফড়িং প্রধানত 'ম্যালপিঘিয়ান নালিকা'র মাধ্যমে সম্পন্ন করে।

    ম্যালপিঘিয়ান নালিকার গঠন:
    ১. অবস্থান ও সংখ্যা: ঘাসফড়িংয়ের পৌষ্টিকনালির মেসেন্টেরন ও প্রোক্টোডিয়ামের সংযোগস্থলে প্রায় ১০০টি হলুদ বর্ণের, সূক্ষ্ম, সূত্রাকার নালিকা গুচ্ছাকারে অবস্থান করে।
    ২. গঠন বৈশিষ্ট্য: প্রতিটি নালিকা প্রায় ২৫ মিমি লম্বা ও ১ মিমি ব্যাসবিশিষ্ট। নালিকার দূরবর্তী প্রান্তটি বদ্ধ এবং হিমোসিলে মুক্তভাবে ভাসমান থাকে, আর নিকটবর্তী প্রান্তটি পৌষ্টিকনালির গহ্বরে উন্মুক্ত হয়।
    ৩. প্রাচীরের স্তর: নালিকার প্রাচীর একস্তরবিশিষ্ট এপিথেলিয়াম কোষে গঠিত। কোষগুলোর ভেতরের প্রান্ত মাইক্রোভিলিযুক্ত হওয়ায় এদের 'ব্রাশ বর্ডার' বলা হয়। প্রাচীরের বাইরে একটি পাতলা বেসমেন্ট পর্দা থাকে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত আমিষ খাদ্য বিপাকের মাধ্যমে ইউরিক এসিড উৎপাদন ও নিষ্কাশন প্রক্রিয়াটি ঘাসফড়িংয়ের ম্যালপিঘিয়ান নালিকার মাধ্যমে নিম্নোক্তভাবে সম্পন্ন হয়:

    ১. শোষণ: ঘাসফড়িংয়ের হিমোলিম্ফে থাকা আমিষ বিপাকের বর্জ্য পটাসিয়াম ইউরেট, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ম্যালপিঘিয়ান নালিকার প্রাচীরের এপিথেলিয়াল কোষ দ্বারা সক্রিয়ভাবে শোষিত হয়।

    ২. নালিকাগহ্বরে রূপান্তর: এপিথেলিয়াল কোষে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে পটাসিয়াম ইউরেট পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে পটাসিয়াম বাইকার্বনেট ও দ্রবণীয় ইউরিক এসিড তৈরি করে:
    পটাসিয়াম ইউরেট + পানি + কার্বন ডাই-অক্সাইড → পটাসিয়াম বাইকার্বনেট + ইউরিক এসিড।

    ৩. পুনঃশোষণ: পটাসিয়াম বাইকার্বনেট এবং বেশিরভাগ পানি পুনরায় নালিকার কোষ দ্বারা শোষিত হয়ে হিমোলিম্ফে ফিরে যায়।

    ৪. নিষ্কাশন: কঠিন ও অদ্রবণীয় দানাদার ইউরিক এসিড নালিকার গহ্বর থেকে পৌষ্টিকনালির ইলিয়াম ও কোলনে প্রবেশ করে। শেষে রেক্টামে অবশিষ্ট অতিরিক্ত পানি শোষিত হয় এবং শুষ্ক ইউরিক এসিড মলের সাথে মলাশয় দিয়ে নিষ্কাশিত হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন