পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৭
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মিঃ 'Y' একজন সিনিয়র আইনজীবী। তিনি যে কোনো আদালতে বক্তব্য পেশ করতে পারেন। সরকারের পক্ষে আইনের জটিল প্রশ্নে মতামত দেন। তার কর্মকাণ্ডের ওপর সরকারের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। তবে অসদাচরণের কারণে তাকে অপসারণ করা যায়।
- ক)(1)
বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক কে?
- খ)(2)
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
মিঃ 'Y' কোন ধরনের সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত আছেন? তার ক্ষমতা ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মিঃ 'Y'-এর ভূমিকা আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক হলো বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যেসব প্রতিষ্ঠান কোনো দেশের সংবিধানের সুনির্দিষ্ট বিধান বা ধারা অনুযায়ী গঠিত ও পরিচালিত হয়, সেগুলোকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা, দায়িত্ব এবং কার্যপরিধি সরাসরি সংবিধানে উল্লেখ থাকে। কোনো সাধারণ আইন দ্বারা এদের মৌলিক কাঠামো সহজে পরিবর্তন করা যায় না। যেমন—নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন (PSC), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রভৃতি।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মিঃ 'Y' বাংলাদেশের 'অ্যাটর্নি জেনারেল' পদে অধিষ্ঠিত আছেন। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
১. আইনি পরামর্শ প্রদান: রাষ্ট্রপতি বা সরকারের পক্ষ থেকে প্রেরিত আইন সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ে সরকারকে আইনি পরামর্শ প্রদান করেন।
২. সরকারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব: তিনি সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের যেকোনো আদালতে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা ও বক্তব্য পেশ করেন।
৩. শুনানির অধিকার: বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে তাঁর শুনানির বা উপস্থিত থাকার অধিকার রয়েছে।
৪. রাষ্ট্রপতির ন্যস্ত দায়িত্ব পালন: সংবিধান বা আইনের দ্বারা তাঁর ওপর ন্যস্ত অন্যান্য আইনি দায়িত্ব তিনি পালন করে থাকেন। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেলের (মিঃ 'Y') ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
প্রথমত, তিনি সরকারের প্রধান আইন উপদেষ্টা হিসেবে যেকোনো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ও সাংবিধানিক জটিল বিষয়ে সরকারকে সঠিক আইনি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সরকারের গৃহীত কোনো পদক্ষেপ যেন সংবিধান বা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থি না হয়, সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে তিনি আইনের শাসন অক্ষুণ্ণ রাখতে সহায়তা করেন।
দ্বিতীয়ত, আদালতে সরকারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করার সময় ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে তিনি আদালতকে বস্তুনিষ্ঠভাবে সহায়তা করেন। জনগণের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হলে বা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় তিনি রাষ্ট্রের হয়ে ন্যায়সঙ্গত আইনি ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।
তৃতীয়ত, তিনি বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে একটি আইনগত যোগসূত্র হিসেবে কাজ করে বিচার বিভাগের মর্যাদা ও আইনের শাসন বজায় রাখতে নিরপেক্ষ ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেন।
সুতরাং, মিঃ 'Y' বা অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের আইনের শাসন সমুন্নত থাকে এবং সরকারের আইনগত ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও