‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

‘ক’ দেশের সরকার প্রধান আইনসভার সদস্য নন ।

  1. ক)

    বাংলাদেশের সংবিধান কত তারিখ থেকে কার্যকর হয়?

    (1)
  2. খ)

    ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    ‘ক’ দেশটির সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের সাদৃশ্যগুলো বর্ণনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    ‘ক’ দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সংবিধান উত্তম? সপক্ষে যুক্তি দাও ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে রাষ্ট্রের কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় আনুগত্য না থাকা এবং ধর্মীয় কারণে নাগরিকদের প্রতি কোনো ধরনের বৈষম্য না করাকে বোঝায়। ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থায় প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন ও প্রচার করতে পারে, কোনো বিশেষ ধর্মকে রাষ্ট্রীয় সুবিধা দেওয়া হয় না এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহার নিষিদ্ধ থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ‘ক’ দেশের সরকার প্রধান আইনসভার সদস্য নন, যা রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থার (যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।
    বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে 'ক' দেশের সংবিধানের প্রধান সাদৃশ্যগুলো হলো:
    ১. লিখিত সংবিধান: উভয় দেশের সংবিধানই লিখিত ও সুস্পষ্ট।
    ২. মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা: উভয় দেশের সংবিধানেই নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সাংবিধানিক নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
    ৩. দুষ্পরিবর্তনীয়তা: উভয় দেশের সংবিধান সংশোধনের জন্য আইনসভার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
    ৪. সংবিধানের প্রাধান্য: সংবিধানেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে সংবিধানকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
    ৫. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা: নাগরিকদের অধিকার রক্ষা ও সংবিধানের মর্যাদা সংরক্ষণে উভয় সংবিধান স্বাধীন বিচার বিভাগের বিধান নিশ্চিত করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'ক' দেশ রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেয়, আর বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়েছে। বিভিন্ন বাস্তব ও তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের সংবিধানকে তুলনামূলকভাবে অধিক উপযোগী ও উত্তম বলা যেতে পারে। এর সপক্ষে যুক্তিগুলো নিচে দেওয়া হলো:
    ১. সরকারের জবাবদিহিতা: বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভাকে তাদের প্রতিটি কাজের জন্য আইনসভার কাছে প্রত্যক্ষভাবে জবাবদিহি করতে হয়। পক্ষান্তরে, 'ক' দেশের রাষ্ট্রপতি আইনসভার সদস্য না হওয়ায় আইনসভার প্রতি সরাসরি জবাবদিহি করতে বাধ্য নন।
    ২. স্বৈরতন্ত্রের কম সুযোগ: আইনসভার প্রতি সার্বক্ষণিক জবাবদিহিতা ও অনাস্থা প্রস্তাবের বিধান থাকায় সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকার প্রধানের স্বৈরাচারী হওয়ার সুযোগ কম থাকে।
    ৩. নাগরিকের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা: বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানসহ মৌলিক চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে।
    ৪. আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের সুসম্পর্ক: সংসদীয় ব্যবস্থায় শাসন বিভাগের সদস্যরা আইনসভার মধ্য থেকে নির্বাচিত হওয়ায় দুই বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও পারস্পরিক সমন্বয় থাকে, যা নীতি বাস্তবায়নে অচলাবস্থা দূর করে।

    অতএব, জনগণের প্রতি নিরবচ্ছিন্ন জবাবদিহিতা, নমনীয়তা ও গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের দিক থেকে বিবেচনা করলে বাংলাদেশের সংবিধান অধিক উত্তম ও ফলপ্রসূ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন