ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

সরকার দেশের উন্নয়ন ও জনগণের সার্থের দিক বিবেচনা করে তিন বছরের মধ্যে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী ট্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যে অবস্থা বিবেচনা করে পরিকল্পনা করা হয় তার সব সময় নাও মিলতে পারে। তাই ভবিষ্যত অবসর পরিবর্তন হলে পরিকল্পনার সংশোধন সহ কর্তৃপক্ষ করণীয় ঠিক করে নেন। ফলে যথাসময়ে কর্ণফুলী ট্যানেলটি কাজ নির্মাণ শেষ হয়।

  1. ক)

    লক্ষ্য কি?

    (1)
  2. খ)

    ভিশন গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    সময়ের ভিত্তিতে কর্ণফুলী ট্যানেল স্থাপন কোন ধরনের পরিকল্পনা? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    পরিকল্পনার যে বৈশিষ্ট্যটি ভবিষ্যৎ অবস্থার পরিবর্তন সহজ করে তোলে- উদ্দীপকের আলোকে তা মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরিকল্পনার অভিপ্রেত বা প্রত্যাশিত চূড়ান্ত ফলকে লক্ষ্য (Goal/Objective) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ভিশন হলো একটি প্রতিষ্ঠানের দূরদর্শী স্বপ্ন বা দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানটি কী রূপ ধারণ করতে চায় তার সুস্পষ্ট চিত্র। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ ভিশন প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা প্রদান করে। একটি স্পষ্ট ভিশন প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের কর্মীদের মধ্যে একটি সাধারণ উদ্দেশ্য সৃষ্টি করে এবং তাঁদের সেই লক্ষ্যপানে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে। এছাড়া প্রতিকূল বা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতেও সঠিক কৌশল নির্ধারণে ভিশন চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সময়ের ভিত্তিতে কর্ণফুলী টানেল স্থাপন হলো একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা।

    সাধারণত সময়ের ব্যাপ্তির ভিত্তিতে পরিকল্পনাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়: এক বছর বা তার কম সময়ের জন্য স্বল্পমেয়াদি, এক বছরের বেশি থেকে পাঁচ বছর বা তার কম সময়ের জন্য মধ্যমেয়াদি এবং পাঁচ বছরের অধিক সময়ের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, সরকার চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের কাজটি 'তিন বছরের মধ্যে' সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যেহেতু এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কাল ৩ বছর, যা এক বছরের অধিক কিন্তু পাঁচ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ, তাই সময়ের ভিত্তিতে এটি নিঃসন্দেহে একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পরিকল্পনার যে বৈশিষ্ট্যটি ভবিষ্যৎ অবস্থার পরিবর্তন সহজ করে তোলে, তা হলো 'নমনীয়তা' (Flexibility)। উদ্দীপকে এই বৈশিষ্ট্যের যথাযথ প্রয়োগ ঘটেছে।

    পরিকল্পনার নমনীয়তা বলতে বোঝায় পরিবর্তিত ও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে মূল পরিকল্পনার প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন বা পরিবর্তন করার সুযোগ থাকাকে। ভবিষ্যৎ সর্বদাই অনিশ্চিত, তাই পরিস্থিতির পরিবর্তনের সাথে সাথে যদি পরিকল্পনা পরিবর্তন করা না যায়, তবে তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

    উদ্দীপকে উল্লেখ আছে যে, সরকার কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের জন্য যে অবস্থা বিবেচনা করে পরিকল্পনা তৈরি করেছিল তা সব সময় নাও মিলতে পারে। তাই ভবিষ্যৎ অবস্থার পরিবর্তন হলে পরিকল্পনার সংশোধনসহ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণ করে নেন। এই পরিবর্তনের সুযোগ বা নমনীয়তা থাকার কারণেই প্রতিকূল বা পরিবর্তিত পরিস্থিতিতেও কর্তৃপক্ষ যথাসময়ে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণ কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়।

    অতএব, পরিবর্তনশীল ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে লক্ষ্য অর্জনে পরিকল্পনার নমনীয়তার বৈশিষ্ট্যটি অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং এর গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন