যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২১
যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন
দৃশ্যকল্প-১:
- ক)(1)
অন্তর্ভুক্তি কী?
- খ)(2)
ব্যাখ্যার প্রকৃতি নির্ণয় করো।
- গ)(3)
দৃশ্যকল্প-১ এ কোন ব্যাখ্যা প্রতিফলিত হয়েছে?
- ঘ)(4)
দৃশ্যকল্প-২ এ ব্যাখ্যার কোন দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে? বিশ্লেষণ করো
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
একটি অপেক্ষাকৃত কম ব্যাপক নিয়ম বা ঘটনাকে একটি অধিক ব্যাপক নিয়মের অধীনে এনে ব্যাখ্যা করার প্রক্রিয়াকে যুক্তিবিদ্যায় অন্তর্ভুক্তি বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যাখ্যার মূল প্রকৃতি হলো কোনো দুর্বোধ্য, অস্পষ্ট বা জটিল ঘটনাকে সহজ, সরল ও বোধগম্য করে প্রকাশ করা। ইংরেজি 'Explanation' শব্দটি ল্যাটিন 'Explanare' শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ সহজ করা। সুতরাং কোনো বিষয় কেন এবং কীভাবে ঘটেছে তা কার্যকারণ সম্পর্ক বা প্রাকৃতিক নিয়মের সাহায্যে পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট করাই হলো ব্যাখ্যার প্রধান উদ্দেশ্য ও প্রকৃতি।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃশ্যকল্প-১ এ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার রূপসমূহের মধ্যে 'কার্য ও কারণের মধ্যবর্তী পর্যায়সমূহের আবিষ্কার' বা 'মধ্যবর্তী স্তর আবিষ্কার' (Invention of intermediate links) রূপটি প্রতিফলিত হয়েছে।
যুক্তিবিজ্ঞানী কার্ভেথ রিডের মতে, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অন্যতম একটি প্রক্রিয়া হলো কার্য এবং তার দূরবর্তী কারণের মধ্যবর্তী সম্পর্কহীন স্তরগুলোর সংযোগ উন্মোচন করা।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ দেখা যায়, 'মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ' হওয়াকে দূরবর্তী কারণ এবং 'মেডিসিন স্পেশালিস্ট হওয়া'কে কার্য হিসেবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু কেবল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই বিশেষজ্ঞ হওয়া যায় না। এর মাঝে 'নিয়মিত পড়াশোনা করা, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া, ইন্টার্নি করা, চর্চা করা' প্রভৃতি মধ্যবর্তী স্তরসমূহ বিদ্যমান। এগুলোর উন্মোচন কার্য ও কারণের মধ্যবর্তী ধারাবাহিক শৃঙ্খলা স্পষ্ট করেছে, যা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মধ্যবর্তী স্তর আবিষ্কারের প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃশ্যকল্প-২ এ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতা বা ব্যাখ্যার সীমার ইঙ্গিত রয়েছে।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সাহায্যে বিশ্বের সব বিষয়কে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। যুক্তিবিদ কার্ভেথ রিড ও ব্যান বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার কিছু চরম বা চূড়ান্ত সীমার উল্লেখ করেছেন। দৃশ্যকল্প-২ এর ছকে উল্লিখিত বিষয়গুলোর মাধ্যমে সেই দিকটি ফুটে উঠেছে:
১. স্রষ্টা বা পরম সত্তা: সৃষ্টিকর্তা বা অতিপ্রাকৃতিক সত্তার অস্তিত্বকে কোনো সার্বিক প্রাকৃতিক নিয়মের আওতায় এনে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না।
২. কার্যকরন নীতি: কার্যকারণ নীতি নিজেই একটি স্বতঃসিদ্ধ মৌলিক নিয়ম। এই নিয়মটিকে এর চেয়ে ব্যাপকতর কোনো নিয়মের অধীনে এনে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব।
৩. স্পর্শ বা প্রাথমিক গুণ ও চেতনা: চেতনা বা প্রাথমিক সংবেদনের (যেমন- স্পর্শ, স্বাদ, বর্ণ ইত্যাদি) অনুভূতি মৌলিক মানসিক অবস্থা হওয়ায় এদের কোনো সরলতর বা মৌলিকতর অংশে বিশ্লেষণ করে ব্যাখ্যা করা যায় না।
৪. ওজন বা বস্তুনিষ্ঠ মৌলিক গুণ: পদার্থের মৌলিক বা চরম ধর্মাবলিকে কোনো পূর্ববর্তী নিয়ম দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না।অতএব, দৃশ্যকল্প-২ এর উপাদানগুলো বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয় যে এটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার সীমাবদ্ধতা বা যেসকল বিষয়কে বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করা যায় না—সেই দিকটিকে সার্থকভাবে নির্দেশ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও