যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
- ক)(1)
যুক্তি কী?
- খ)(2)
কোনো পদের ব্যক্ত্যর্থ বাড়লে জাত্যর্থ কমে কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে চিত্র-৩ এ নির্দেশিত পদগুলো কোন ধরনের? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
চিত্র-১ ও চিত্র-২ এ নির্দেশিত পদগুলোর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অনুমানের ভাষায় প্রকাশিত রূপকে যুক্তি (Argument) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীতমুখী বা বিপরীত অনুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। ব্যক্ত্যর্থ হলো পদের সংখ্যার বা পরিমাণের দিক এবং জাত্যর্থ হলো গুণের দিক। যখন কোনো পদের অন্তর্ভুক্ত ব্যক্ত্যর্থের পরিধি বাড়ানো হয়, তখন অধিক সংখ্যক ব্যক্তি বা বস্তুকে অন্তর্ভুক্ত করার সুবিধার্থে কিছু বিশেষ গুণ বাদ দিতে হয়। এর ফলে সাধারণ গুণের সংখ্যা কমে যায়। যেমন- 'মানুষ' পদের জাত্যর্থ হলো জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি। এর সাথে অন্যান্য প্রাণী যুক্ত করে ব্যক্ত্যর্থ বাড়িয়ে যখন 'জীব' করা হয়, তখন বুদ্ধিবৃত্তি গুণটি বাদ পড়ে যায় এবং জাত্যর্থ কেবল 'জীববৃত্তি'-তে সীমাবদ্ধ হয়। তাই ব্যক্ত্যর্থ বাড়লে জাত্যর্থ কমে যায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-৩ এ নির্দেশিত পদগুলো হলো বিশিষ্ট অনির্দিষ্ট পদ (Singular Indefinite Term)।
যে পদ দ্বারা কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে একটিমাত্র সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়, তাকে বিশিষ্ট অনির্দিষ্ট পদ বলে। এ ধরনের পদ কোনো নির্দিষ্ট সত্তাকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে না, বরং সমজাতীয় বহু বস্তুর মধ্য থেকে অনির্দিষ্টভাবে যেকোনো একটিকে বোঝায়।
উদ্দীপকের চিত্র-৩ এ 'একজন দার্শনিক', 'একটি নদী' এবং 'একটি পর্বত' পদগুলো দেওয়া হয়েছে। এখানে 'একজন দার্শনিক' বলতে পৃথিবীর যেকোনো একজন দার্শনিককে বোঝায়, কিন্তু নির্দিষ্ট করে সক্রেটিস, প্লেটো কিংবা এরিস্টটলকে নির্দেশ করে না। একইভাবে 'একটি নদী' বা 'একটি পর্বত' বলতে যেকোনো অনির্দিষ্ট নদী বা পর্বতকে বোঝায়। এগুলো অনির্দিষ্ট হলেও প্রতিটি পদের সংখ্যা একক বা এক। অতএব, চিত্র-৩ এ নির্দেশিত পদগুলো বিশিষ্ট অনির্দিষ্ট পদের অন্তর্ভুক্ত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্র-১ এ নির্দেশিত পদগুলো হলো 'বিশিষ্ট নির্দিষ্ট পদ' (Singular Definite Term) এবং চিত্র-২ এ নির্দেশিত পদগুলো হলো 'সাধারণ পদ' (General Term)। নিচে এদের মধ্যকার পার্থক্য আলোচনা করা হলো:
১. সংজ্ঞাগত পার্থক্য: যে পদ দ্বারা একই অর্থে একটিমাত্র নির্দিষ্ট ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানকে বোঝায়, তাকে বিশিষ্ট নির্দিষ্ট পদ বলে। যেমন চিত্র-১ এর এরিস্টটল, যমুনা, হিমালয়। পক্ষান্তরে, যে পদ একই অর্থে কোনো একটি শ্রেণির অন্তর্গত প্রতিটি ব্যক্তি বা বস্তুর ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হয়, তাকে সাধারণ পদ বলে। যেমন চিত্র-২ এর মানুষ, নদী, পর্বত।
২. প্রয়োগের পরিধি: বিশিষ্ট পদের প্রয়োগক্ষেত্র কেবল একটি নির্দিষ্ট বস্তুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু সাধারণ পদের পরিধি ব্যাপক এবং তা একটি সমগ্র শ্রেণির সকল সদস্যের ওপর আরোপিত হয়।
৩. ব্যক্ত্যর্থের সংখ্যা: চিত্র-১ এর পদগুলোর ব্যক্ত্যর্থ হলো ঠিক এক (১)। অন্যদিকে চিত্র-২ এর সাধারণ পদগুলোর ব্যক্ত্যর্থ একাধিক বা বহু।
৪. শ্রেণি নির্দেশ: চিত্র-১ এর পদগুলো কোনো স্বতন্ত্ৰ সত্তা বা বস্তুকে চিহ্নিত করে, কোনো সাধারণ শ্রেণিকে নয়। অপরদিকে চিত্র-২ এর পদগুলো এক-একটি অখণ্ড শ্রেণিকে নির্দেশ করে (যেমন- সমগ্র মানব জাতি, সকল নদী)।
সুতরাং, চিত্র-১ এবং চিত্র-২ এর পদগুলো ব্যক্ত্যর্থের সংখ্যা এবং প্রয়োগক্ষেত্রের বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও