যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৩

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

সজল বলল, "সকল মানুষ হয় এমন যাদের পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হবে একদিন।"জামান বলল, "কোনো জীবই চিরদিন বেঁচে থাকে না।"জাহিদ বলল, "কোনো কোনো জীব হয় এমন যারা অনেক দিন বেঁচে থাকেুষ

  1. ক)

    যুক্তিবাক্য কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    বিশেষ যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য নয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে জাহিদের বক্তব্য কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?

    (3)
  4. ঘ)

    সজল ও জামানের বক্তব্য পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়কে নির্দেশ করেছে? তাদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুটি পদের মধ্যে কোনো সম্পর্কের বর্ণনা বা স্বীকৃতি-অস্বীকৃতিমূলক বিবৃতিকে যুক্তিবাক্য বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ বা পরিমাণের ওপর প্রযোজ্য না হয়ে আংশিক ব্যক্ত্যর্থের ওপর প্রযোজ্য হয়, তাকে বিশেষ যুক্তিবাক্য বলে। কোনো পদ ব্যাপ্য হতে হলে তাকে তার সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে নির্দেশ করতে হয়। যেহেতু বিশেষ যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদটি সামগ্রিকভাবে ব্যক্ত না হয়ে 'কিছু' বা অনির্দিষ্ট একাংশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, তাই বিশেষ যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদটি অব্যাপ্য থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জাহিদের বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার পরিমাণ ও গুণ অনুসারে 'বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য' বা 'I' যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে।

    জাহিদ বলল, "কোনো কোনো জীব হয় এমন যারা অনেক দিন বেঁচে থাকে"। এই বাক্যটিতে উদ্দেশ্য পদ হলো 'জীব' এবং বিধেয় পদ হলো 'এমন যারা অনেক দিন বেঁচে থাকে'। এখানে 'কোনো কোনো' শব্দ ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্দেশ্য পদের আংশিক ব্যক্ত্যর্থ প্রকাশ পাওয়ায় বাক্যটির পরিমাণ হলো বিশেষ। আবার, 'হয়' সংযোজকের মাধ্যমে উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিধেয়ের সম্পর্ক স্বীকার করা হয়েছে, ফলে এর গুণ হলো সদর্থক বা ইতিবাচক।

    সুতরাং, পরিমাণ ও গুণের যৌথ শ্রেণিবিন্যাস অনুসারে জাহিদের বক্তব্যটি একটি বিশেষ সদর্থক যুক্তিবাক্য ('I' বাক্য)।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে সজল ও জামানের বক্তব্য যথাক্রমে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য ('A' বাক্য) এবং সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য ('E' বাক্য)-কে নির্দেশ করে। নিচে তাদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ দেওয়া হলো:

    ১. সজলের বক্তব্য: সজল বলল, "সকল মানুষ হয় এমন যাদের পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হবে একদিন।" এটি যুক্তিবিদ্যার নিয়মানুসারে একটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য ('A' বাক্য)। এখানে 'সকল' চিহ্নের মাধ্যমে উদ্দেশ্য পদ 'মানুষ'-এর সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিধেয় পদটিকে তাদের সম্পর্কে 'হয়' সংযোজকের মাধ্যমে স্বীকার করা হয়েছে। এই বাক্যে উদ্দেশ্য পদ 'মানুষ' ব্যাপ্য, কিন্তু বিধেয় পদ অব্যাপ্য।

    ২. জামানের বক্তব্য: জামান বলল, "কোনো জীবই চিরদিন বেঁচে থাকে না" (যৌক্তিক রূপ: কোনো জীব নয় এমন যারা চিরদিন বেঁচে থাকে)। এটি একটি সার্বিক নঞর্থক যুক্তিবাক্য ('E' বাক্য)। এখানে 'কোনো...নয়' ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্দেশ্য পদ 'জীব'-এর সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে বিধেয়কে পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়েছে। এই বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য।

    তুলনামূলক আলোচনা:

    • পরিমাণের দিক থেকে উভয় বক্তব্যই 'সার্বিক যুক্তিবাক্য', কারণ উভয়েই উদ্দেশ্যের সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থকে নির্দেশ করে।
    • গুণের দিক থেকে সজলের বাক্যটি সদর্থক (স্বীকারমূলক) এবং জামানের বাক্যটি নঞর্থক (অস্বীকারমূলক)।
    • ব্যাপ্যতার দিক থেকে সজলের যুক্তিবাক্যে কেবল উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য, কিন্তু জামানের যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই ব্যাপ্য।

    সুতরাং, সজলের বক্তব্য 'A' যুক্তিবাক্য এবং জামানের বক্তব্য 'E' যুক্তিবাক্যকে সার্থকভাবে প্রকাশ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন