ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৭
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
জনাব অর্ণব একজন সঙ্গীত শিল্পী। তিনি গান লিখেন এবং সুর করেন। প্রিজম নামের একজন নতুন শিল্পী গানের একক অ্যালবাম বাজারে ছাড়েন। অনার অর্ণব প্রিজমের প্রকাশিত সিডির একটি গানের সুর তার নিজের বলে দাবি করে আদালতে মামলা করেন। কিন্তু তিনি তাতে কোনো প্রতিকার পাননি।
- ক)(1)
সামাজিক ব্যবসায় কী?
- খ)(2)
ISO সনদ বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন আইনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
জনাব অর্ণবের আদালতের আশ্রয় নিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ার যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক ব্যবসায় হলো এমন এক ধরনের ব্যবসায় সংগঠন, যা কোনো ব্যক্তিগত মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে নয়, বরং সমাজের কোনো নির্দিষ্ট সামাজিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পরিচালিত হয় এবং বিনিয়োগকারী শুধু মূল অর্থ ফেরত পান কিন্তু কোনো লভ্যাংশ নেন না।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ISO (International Organization for Standardization) সনদ বলতে আন্তর্জাতিক মান সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত মান ব্যবস্থাপনা ও মান নিয়ন্ত্রণের স্বীকৃতিমূলক প্রশংসাপত্রকে বোঝায়।
কোনো প্রতিষ্ঠান তার পণ্য বা সেবা উৎপাদনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত গুণগত মান, পরিবেশগত মান ও নিরাপত্তা নীতি যথাযথভাবে অনুসরণ করছে কিনা, তা যাচাই করে ISO এই সনদ প্রদান করে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম বৃদ্ধি পায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে কপিরাইট আইনের (Copyright Law) প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
কপিরাইট হলো সাহিত্য, সংগীত, নাটক, শিল্পকলা বা বুদ্ধিবৃত্তিক সৃজনশীল কাজের প্রণেতা বা স্রষ্টাকে প্রদত্ত এক ধরনের আইনি একচেটিয়া অধিকার, যার মাধ্যমে অন্য কেউ অনুমতি ছাড়া সেই কাজ নকল, প্রকাশ বা বিক্রি করতে পারে না। তবে এই অধিকার নিশ্চিতভাবে আইনি সুরক্ষা পেতে হলে সংশ্লিষ্ট কাজটিকে কপিরাইট অফিসে যথাযথভাবে নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রি করা আবশ্যক।
উদ্দীপকে জনাব অর্ণব একজন সুরকার ও গীতিকার। তাঁর সুর করা গান প্রিজম নামের অন্য একজন শিল্পী নিজ নামে অ্যালবামে বাজারে প্রকাশ করেন। এটি সৃষ্টিশীল কাজের মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ। ফলে উদ্দীপকে কপিরাইট আইনের প্রতি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনাব অর্ণবের আদালতে আশ্রয় নিয়েও কোনো প্রতিকার না পাওয়ার বিষয়টি যৌক্তিক হয়েছে, কারণ তিনি তাঁর রচিত গানের সুরের কপিরাইট নিবন্ধন করেননি।
কপিরাইট আইন অনুসারে, কোনো প্রণেতা বা শিল্পী তাঁর সৃষ্টিশীল কাজের কপিরাইট নিবন্ধন করালে তিনি সেটির একক আইনি মালিকানা লাভ করেন। অন্য কেউ তা নকল বা অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কপিরাইট ভঙ্গের জন্য কপিরাইট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট সবচেয়ে অকাট্য আইনি প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। নিবন্ধন ছাড়া আদালতে কোনো সৃজনশীল কাজের আদি মালিকানা প্রমাণ করা অত্যন্ত দুরূহ।
উদ্দীপকে জনাব অর্ণব গান লেখেন এবং সুর করেন। কিন্তু তিনি তাঁর সংগীতকর্মের অনুকূলে কপিরাইট নিবন্ধন করিয়েছিলেন বলে কোনো উল্লেখ নেই। প্রিজম নামের শিল্পী তাঁর সুর ব্যবহার করে অ্যালবাম বের করার পর অর্ণব আদালতে মামলা করলেও কোনো আইনি নথিপত্র বা নিবন্ধিত প্রমাণ দেখাতে পারেননি। প্রমাণ ছাড়া নিছক দাবির ওপর ভিত্তি করে আদালত কোনো রায় দিতে পারে না। সুরটি যে তাঁরই মৌলিক সৃষ্টি, তার দালিলিক প্রমাণ না থাকায় তিনি আইনি সুরক্ষাবঞ্চিত হয়েছেন।
অতএব, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা আইনের যথাযথ নিয়ম অনুসরণ (কপিরাইট নিবন্ধন) না করায় আদালতে অর্ণবের প্রতিকার না পাওয়া সম্পূর্ণ যৌক্তিক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও