পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • দেশপ্রেম ও জাতীয়তা • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, রংপুর • ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, রংপুর টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশের নাগরিক মি, দুর্জয় যুক্তরাষ্ট্রে বাস করে। সেখানে তিনি। এই দেশের লোকজন নিয়ে জাতীয় দিবসসমূহ যেমন- শহিদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস প্রভৃতি উদ্যাপন করেন। এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বসন্তবরণ উৎসব উদ্যাপন করেন।
- ক)(1)
জাতীয়তা কী?
- খ)(2)
ভাবগত বা মানসিক ঐক্য বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
দীপকে মি. দুর্জয়ের মধ্যে কোন ধরনের অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে? ব্যাখা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টির সাথে জাতীয়তার সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাতীয়তা হলো এক প্রকার মানসিক বা আধ্যাত্মিক অনুভূতি, যা কোনো জনসমাজকে একই সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে অন্যান্য জনসমাজ থেকে পৃথক করে রাখে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ভাবগত বা মানসিক ঐক্য বলতে কোনো মানবগোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ মনস্তাত্ত্বিক আত্মিক চেতনাকে বোঝায়, যার কারণে তারা নিজেদের একই সত্তাভুক্ত মনে করে। ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও ভাষা, সাহিত্য, ঐতিহ্য ও সাধারণ আশা-আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই গভীর একাত্মবোধই ভাবগত বা মানসিক ঐক্য।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. দুর্জয়ের মধ্যে 'জাতীয়তাবোধ' বা 'স্বদেশপ্রেমের' মানসিক অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে।
মি. দুর্জয় প্রবাসে (যুক্তরাষ্ট্রে) বসবাস করা সত্ত্বেও নিজ মাতৃভূমির শিকড় ও সংস্কৃতির সাথে গভীরভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি সেখানে অন্যান্য বাংলাদেশিদের সাথে একত্র হয়ে ২১শে ফেব্রুয়ারি (শহিদ দিবস), স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস উদযাপন করছেন এবং বাংলা নববর্ষ ও বসন্তবরণ পালন করছেন। এই কার্যক্রমগুলো নির্দেশ করে যে ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করেও তাঁর মধ্যে বাঙালি হিসেবে একাত্মবোধ এবং দেশের ঐতিহাসিক অর্জনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জাগ্রত রয়েছে, যা জাতীয়তাবোধের সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি হলো প্রবাসে থেকেও জাতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের লালন, যার সাথে জাতীয়তার সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও পরিপূরক।
জাতীয়তা মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক বিষয়, যা ভাষা, সাহিত্য, ঐতিহ্য এবং যৌথ ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে বিকশিত হয়। উদ্দীপকে মি. দুর্জয় ও প্রবাসীদের জাতীয় দিবস ও লোকজ উৎসব উদযাপনের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয় যে—
১. মানসিক একাত্মতা তৈরি: অভিন্ন ইতিহাস (ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ) ও সাংস্কৃতিক চর্চা ভৌগোলিক দূরত্বকে অতিক্রম করে মানসিক ঐক্য বা জাতীয়তার সৃষ্টি করে।
২. জাতীয় পরিচয়ের সুরক্ষা: বিদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতির মাঝেও নিজ জাতির স্বাতন্ত্র্যবোধ টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে এই ধরনের জাতীয়তাবাদী চেতনা।
৩. জাতীয়তার বিকাশ: সংস্কৃতির অংশীদারিত্ব এবং ঐতিহাসিক স্মৃতি ধারণই একটি জনসমাজকে জাতীয়তার চেতনায় উদ্বুদ্ধ রাখে।অতএব, জাতীয় দিবস ও ঐতিহ্য উদযাপনের মাধ্যমে যে ঐক্যবোধ তৈরি হয়, তাই জাতীয়তার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও