ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৫
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব আদিল একটি বৃহদায়তন কোম্পানির এমডি। তিনি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয় ও অন্যান্য সকল বিভাগের জন্য আলাদাভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করার নির্দেশ দেন। কিন্তু পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় ও যোগসূত্রিতা না থাকায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। তাই প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠানেরমূল উদ্দেশ্যের সাথে বিভিন্ন স্তরে গৃহীত পরিকল্পনার সমন্বয় করার ওপর জোর দেন।
- ক)(1)
বাজেট কী?
- খ)(2)
পরিকল্পনার আঙিনা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে সংগঠনের কাঠামো ভিত্তিক কোন ধরনের পরিকল্পনা তৈরি করা হয়? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বিভিন্ন পর্যায়ে গৃহীত পরিকল্পনাকে মূল লক্ষ্যের আলোকে সংযুক্ত করা কি যুক্তিযুক্ত? পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্যের আলোকে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পরিকল্পনার সংখ্যাত্মক প্রকাশকে বাজেট বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সাথে জড়িত ভবিষ্যৎ প্রত্যাশিত অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পরিবেশ বা অবস্থাকে পরিকল্পনার আঙিনা (Planning Premises) বলে।
ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হওয়ায় পরিকল্পনা গ্রহণের পূর্বে অভ্যন্তরীণ শক্তি, দুর্বলতা এবং বাহ্যিক সুযোগ, হুমকি ও অর্থনৈতিক-সামাজিক পরিবেশ ইত্যাদি অনুমান করে নিতে হয়। এই অনুমিত ভবিষ্যৎ পরিবেশের সীমার মধ্যেই পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, যাকে পরিকল্পনার আঙিনা বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সংগঠন কাঠামোভিত্তিক 'বিভাগীয় পরিকল্পনা' (Departmental Plan) তৈরি করা হয়।
সংগঠন কাঠামোর স্তরভেদে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য আলাদাভাবে যে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়, তাকে বিভাগীয় পরিকল্পনা বলে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব আদিল প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক লক্ষ্যের অধীন উৎপাদন, ক্রয়, বিক্রয় ও অন্যান্য সকল পৃথক বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা পরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। যেহেতু প্রতিটি নির্দিষ্ট বিভাগের কার্যাবলিকে কেন্দ্র করে আলাদাভাবে পরিকল্পনাগুলো তৈরি করা হয়েছে, তাই এটি সংগঠনের কাঠামোভিত্তিক বিভাগীয় পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বিভিন্ন পর্যায়ে গৃহীত পরিকল্পনাকে মূল লক্ষ্যের আলোকে সংযুক্ত করা অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত। পরিকল্পনার 'উদ্দেশ্যমুখিতা' ও 'সমন্বয় ও সংহতি' বৈশিষ্ট্যের আলোকে এটি পুরোপুরি সমর্থনযোগ্য।
পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর উদ্দেশ্যমুখিতা—অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানের সকল পরিকল্পনা মূল উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যেই পরিচালিত হতে হবে। পাশাপাশি, বিভিন্ন স্তরের বা বিভাগের পরিকল্পনার মধ্যে পারস্পরিক যোগসূত্র ও সংহতি থাকা অপরিহার্য, অন্যথায় সামগ্রিক লক্ষ্য ব্যাহত হয়।
উদ্দীপকে জনাব আদিলের প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের জন্য আলাদা পরিকল্পনা তৈরি হলেও সেগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও যোগসূত্র না থাকায় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। ফলে তিনি বিভিন্ন স্তরে গৃহীত পরিকল্পনাগুলোকে প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্যের সাথে সমন্বয় করার ওপর জোর দেন। প্রতিষ্ঠানের সকল উপ-পরিকল্পনা ও বিভাগীয় পরিকল্পনা যদি মূল প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্যের সাথে সংগতিপূর্ণ না হয়, তবে বিভিন্ন বিভাগের কাজের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয় এবং সম্পদের অপচয় ঘটে।
অতএব, বিভিন্ন স্তরের পরিকল্পনাকে প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্যের সাথে সমন্বিত ও সংযুক্ত করা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য সম্পূর্ণ যৌক্তিক ও অপরিহার্য পদক্ষেপ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও