পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মিথিলার দাদা তাকে একটি বৃহত্তর অর্থনৈতিক জোট সম্পর্কে জছিলেন। ১৯৯৩ সালে ম্যাসট্রিক চুক্তির মাধ্যমে জোটটি গড়ে উঠে। জেটভুক্ত দেশসমূহে একক মুদ্রা চালু রয়েছে জেনে মিথিলা অবাক হয়। দল তাকে আরো বলেন, অবাধ বাণিজ্য সুবিধার মাধ্যমে বাংলাদেশ উত্ত জোটভুক্ত দেশসমূহে তৈরি পোশাক রপ্তানি করছে।
- ক)(1)
জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা কত?
- খ)(2)
নির্বাচন কমিশনের দুটি কাজ সম্পর্কে লেখো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত জোটটি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উত্ত জোটের সাথে তোমার দেশের সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধির জন্য কী কী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে তুমি মনে কর?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি (৩০০টি সাধারণ আসন এবং ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের দুটি প্রধান কাজ হলো:
১. নির্বাচন পরিচালনা: রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের যাবতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করা।
২. ভোটার তালিকা প্রণয়ন: ভোটার তালিকা প্রস্তুত, হালনাগাদ ও প্রকাশ করা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লেখিত অর্থনৈতিক জোটটি হলো 'ইউরোপীয় ইউনিয়ন' (European Union বা EU)।
১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর নেদারল্যান্ডসের ম্যাসট্রিক শহরে স্বাক্ষরিত 'ম্যাসট্রিক চুক্তি' (Maastricht Treaty)-র মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ইউরোপের দেশগুলোর একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জোট। এই জোটের সদস্য দেশসমূহের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য, শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং মুক্ত চলাচল ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশিরভাগ দেশ তাদের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে একক মুদ্রা হিসেবে 'ইউরো' (Euro) ব্যবহার করে। বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনীতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন অত্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে থাকে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)-এর সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধির জন্য নিম্নোক্ত পদক্ষেপসমূহ নেওয়া উচিত:
১. জিএসপি প্লাস (GSP+) সুবিধা নিশ্চিতকরণ: বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে থাকায় বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা ধরে রাখতে শ্রম অধিকার, মানবাধিকার ও পরিবেশ সংক্রান্ত শর্তাবলি পূরণ করে জিএসপি প্লাস সুবিধা পাওয়ার কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা।
২. রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ: শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভর না করে ওষুধ, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য ইইউ বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
৩. আন্তর্জাতিক মানদণ্ড রক্ষা: কারখানার নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশ এবং পরিবেশবান্ধব সবুজ উৎপাদন নিশ্চিত করা, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশসমূহে অত্যন্ত গুরুত্ব পায়।
৪. বিনিয়োগ আকর্ষণ: ইউরোপীয় দেশগুলোর বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা।
৫. কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন: নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও যৌথ বাণিজ্য মেলা আয়োজনের মাধ্যমে কৌশলগত অংশীদারিত্ব বাড়ানো।যুক্তিযুক্তভাবে বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন একটি অন্যতম বড় অংশীদার। সঠিক নীতি ও কৌশলী কূটনীতির মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও জোরদার করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও