অর্থনীতি ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২১
অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন
PT = M1 V1+ M2V2 যখন, P = দামস্তরT = ক্রয়-বিক্রয়ের পরিমাণ M = বিহিত মুদ্রার পরিমাণ M2= ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার পরিমাণ V1= বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি V2= ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার প্রচলন গতি
- ক)(1)
অর্থের চাহিদা কী?
- খ)(2)
মোবাইল ব্যাংকিং একটি যুগপোযোগী ব্যাংকিং'- ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে প্রদত্ত সমীকরণটি কোন তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আলোকে অর্থের যোগানের সাথে দামস্তরের কীরকম সম্পর্ক বিদ্যমান?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৈনন্দিন লেনদেন, সতর্কতামূলক এবং ফটকা উদ্দেশ্যে জনগণ বা সমাজ নির্দিষ্ট সময়ে নগদ যে পরিমাণ অর্থ নিজেদের কাছে ধরে রাখতে চায়, তাকে অর্থের চাহিদা বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মোবাইল ব্যাংকিং হলো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে মোবাইল ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা প্রদান ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদভাবে অর্থ লেনদেন, বিল পরিশোধ, কেনাকাটা ইত্যাদি করা যায়। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর যুগে এটি সময় ও শ্রম বাঁচিয়ে মানুষকে ক্যাশলেস ও সহজতর লেনদেনের সুবিধা দেওয়ায় মোবাইল ব্যাংকিংকে একটি যুগোপযোগী ব্যাংকিং বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রদত্ত সমীকরণটি অর্থনীতিবিদ আরভিং ফিশারের 'অর্থের পরিমাণ তত্ত্ব' (Quantity Theory of Money)-এর সাথে সম্পর্কিত।
মার্কিন অর্থনীতিবিদ আরভিং ফিশার ১৯১১ সালে তাঁর বিখ্যাত 'The Purchasing Power of Money' গ্রন্থে অর্থের মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত এই লেনদেন সমীকরণটি প্রকাশ করেন। সমীকরণটি হলো:
PT = M₁V₁ + M₂V₂ (অথবা PT = MV + M'V')
এখানে:- P = সাধারণ দামস্তর (Price Level)
- T = নির্দিষ্ট সময়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ (Total Transactions)
- M₁ = বিহিত মুদ্রার পরিমাণ (Legal Money Supply)
- V₁ = বিহিত মুদ্রার প্রচলন গতি (Velocity of Circulation of Legal Money)
- M₂ = ব্যাংক সৃষ্ট ঋণমুদ্রা (Credit Money Supply)
- V₂ = ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার প্রচলন গতি (Velocity of Credit Money)
সমীকরণটির বামপক্ষ (PT) দ্বারা অর্থের মোট চাহিদা এবং ডানপক্ষ (M₁V₁ + M₂V₂) দ্বারা অর্থের মোট যোগান বোঝানো হয়েছে। ফিশারের মতে, একটি নির্দিষ্ট সময়ে অর্থের চাহিদা ও অর্থের যোগান পরস্পর সমান হয়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের আলোকে অর্থের যোগানের সাথে দামস্তরের প্রত্যক্ষ ও সমানুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
ফিশারের সমীকরণটি সাজালে পাই:
P = (M₁V₁ + M₂V₂) / Tঅর্থনীতিবিদ ফিশারের মতে, স্বল্পকালে লেনদেনের পরিমাণ (T) এবং মুদ্রার প্রচলন গতি (V₁ ও V₂) স্থির থাকে। ফলে দামস্তর (P) মূলত বিহিত মুদ্রা (M₁) ও ব্যাংক মুদ্রা (M₂)—অর্থাৎ সামগ্রিক অর্থের যোগানের ওপর নির্ভরশীল।
সম্পর্কের ধরণ:
১. প্রত্যক্ষ সম্পর্ক: অর্থের যোগান (M₁ ও M₂) বাড়লে মানুষের হাতে নগদ অর্থ বাড়ে, যার ফলে দ্রব্যের সামগ্রিক চাহিদা বাড়ে। কিন্তু স্বল্পকালে মোট উৎপাদন বা লেনদেনের পরিমাণ (T) স্থির থাকায় চাহিদা বৃদ্ধির কারণে দামস্তর (P) বৃদ্ধি পায়। একইভাবে অর্থের যোগান কমলে দামস্তর হ্রাস পায়।
২. সমানুপাতিক সম্পর্ক: অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে অর্থের যোগান যে হারে বৃদ্ধি পায় (যেমন দ্বিগুণ হলে), দামস্তরও ঠিক সেই হারে বাড়ে (দামস্তর দ্বিগুণ হয়)। বিপরীতে অর্থের মূল্য (1/P) ঠিক অর্ধেক হয়ে যায়।অতএব, উদ্দীপকের আলোকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, অর্থের যোগান ও দামস্তরের মধ্যে ধনাত্মক বা প্রত্যক্ষ এবং সমানুপাতিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও