‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

একাদশ শ্রেণির ছাত্রী  'M' কলেজে যাবার পথে বখাটে 'N' প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করে। এ বিষয়ে 'M' বান্ধবীদের জানালেও সে অভিভাবকদের কিছু অবহিত করেননি। একে কেন্দ্র করে সে আত্মহত্যা করে।

  1. ক)

    মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?

    (1)
  2. খ)

    ৩ জুন পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন নাগরিক সমস্যার ইঙ্গিত রয়েছে?  ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া কী সম্ভব? উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৪৭ সালের ৩ জুন ভারতের শেষ ভাইসরয় ও গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসন ও ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্যে যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেন, তাকে '৩ জুন পরিকল্পনা' বা 'মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা' বলা হয়। এই পরিকল্পনার মূল ভিত্তি ছিল ব্রিটিশ ভারতকে বিভক্ত করে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি পৃথক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন করা। পাশাপাশি বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশের বিভক্তি এবং গণভোটের বিধানও এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'ইভটিজিং' বা যৌন হয়রানি নামক সামাজিক ও নাগরিক সমস্যার ইঙ্গিত রয়েছে।

    সাধারণত রাস্তাঘাটে বা জনসমক্ষে নারীদের লক্ষ্য করে কটূক্তি করা, অশোভন আচরণ বা শারীরিক-মানসিক উত্ত্যক্ত করাকে ইভটিজিং বলা হয়। এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং নারীর স্বাভাবিক চলাফেরায় প্রধান অন্তরায়।

    উদ্দীপকে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী 'M' কলেজে যাওয়ার পথে 'N' নামের এক বখাটে তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। এই মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত 'M' আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। উত্ত্যক্ত করার এই ঘটনাটি স্পষ্টতই ইভটিজিং-এর বৈশিষ্ট্য বহন করে। সুতরাং, উদ্দীপকে ইভটিজিং নামক নাগরিক সমস্যার প্রতিফলন ঘটেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকে বর্ণিত ইভটিজিং সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এই ব্যাধি দূর করা যায়।

    ইভটিজিং রোধে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে:
    ১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: ইভটিজিং বা যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনের যথাযথ ও দ্রুত প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের (Mobile Court) নজরদারি বাড়াতে হবে।
    ২. পারিবারিক সচেতনতা ও যোগাযোগ: সন্তানদের সাথে খোলামেলা সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি, যাতে উদ্দীপকের 'M'-এর মতো কাউকে সমস্যা গোপন রাখতে না হয় এবং শুরুতেই অভিভাবকেরা পদক্ষেপ নিতে পারেন।
    ৩. সামাজিক প্রতিরোধ ও সচেতনতা: বখাটেদের প্রতি সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
    ৪. নৈতিক ও মূল্যবোধের শিক্ষা: তরুণ প্রজন্মের মাঝে নৈতিক শিক্ষা, মূল্যবোধ এবং নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে হবে।
    ৫. প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে যাতায়াতের পথে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা কেন্দ্র চালু রাখতে হবে।

    অতএব, যথাযথ আইন প্রয়োগ, সামাজিক প্রতিরোধ এবং পারিবারিক ও মানসিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ইভটিজিংয়ের মতো মারাত্মক নাগরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্পূর্ণ সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন