অর্থনীতি ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯
অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন
মি: 'X'-এর একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন, উপকরণ সংগ্রহ ও এদের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং উৎপাদন কাজ তত্ত্বাবধান করে থাকেন। এ সকল ক্ষেত্রে তিনি দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধা পেলেও তাকে অনেক বেশি ঝুঁকি বহন করতে হয়।
- ক)(1)
স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কাকে বলে?
- খ)(2)
দারিদ্র্য রিমোচনে NGO সহায়ক ভূমিকা পালন করে – ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে কার অর্থনৈতিক কার্যাবলির ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো ।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যেসব প্রতিষ্ঠান সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও আইন দ্বারা সৃষ্ট হলেও দৈনন্দিন কার্যাবলি পরিচালনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নিজস্ব পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে পূর্ণ প্রশাসনিক স্বাধীনতা ভোগ করে, সেগুলোকে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দারিদ্র্য বিমোচনে বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও (NGO) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এনজিওগুলো মূলত সমাজের সুবিধাবঞ্চিত, ভূমিহীন ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে জামানতবিহীন ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে। এর পাশাপাশি তারা বিভিন্ন বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকে। এর ফলে দরিদ্র মানুষ স্বকর্মসংস্থানে নিয়োজিত হতে পারে, তাদের আয় বাড়ে এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে একজন উদ্যোক্তা বা সংগঠকের (মি: 'X') অর্থনৈতিক কার্যাবলির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
অর্থনীতিতে উৎপাদনের উপকরণসমূহ (ভূমি, শ্রম ও মূলধন) একত্রিত করে উৎপাদন পরিচালনা, পরিকল্পনা প্রণয়ন, সমন্বয় সাধন এবং ব্যবসায়িক ঝুঁকি বহন করার কাজকে সংগঠন বলা হয় এবং যিনি এ কাজ করেন তাকে সংগঠক বা উদ্যোক্তা বলে।
উদ্দীপকে লক্ষ্য করা যায় যে, মি: 'X' তার ব্যবসায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন, উপকরণ সংগ্রহ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং উৎপাদন কাজ তত্ত্বাবধান করছেন। অর্থনীতিতে এসব কার্যাবলি সংগঠন বা উদ্যোক্তার মৌলিক কার্যাবলি হিসেবে বিবেচিত। তাই উদ্দীপকের কার্যাবলি সুস্পষ্টভাবে একজন উদ্যোক্তার অর্থনৈতিক কার্যাবলি নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি একক মালিকানাধীন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, যার সুবিধা ও অসুবিধা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
সুবিধাসমূহ:
১. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ: একক মালিকানায় কারও সাথে পরামর্শ করার বাধ্যবাধকতা না থাকায় মালিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ও তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন, যা উদ্দীপকেও উল্লেখ রয়েছে।
২. সহজ গঠন ও পরিচালনা: এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গঠন আইনগত ঝামেলামুক্ত এবং উদ্যোক্তা নিজে সব কাজ প্রত্যক্ষভাবে তদারকি করতে পারেন।
৩. মুনাফার একক মালিকানা: ব্যবসায়ের অর্জিত সকল মুনাফা উদ্যোক্তা একাই ভোগ করেন, ফলে কাজের প্রতি আগ্রহ ও উদ্দীপনা বাড়ে।
৪. গোপনীয়তা রক্ষা: ব্যবসায়িক কলাকৌশল ও গোপনীয়তা বজায় রাখা সহজ হয়।অসুবিধাসমূহ:
১. অতিরিক্ত ঝুঁকি: ব্যবসায়ের যেকোনো ক্ষতি বা লোকসানের সমুদয় দায় উদ্যোক্তাকে একাই বহন করতে হয়, উদ্দীপকে যা বিশেষভাবে চিহ্নিত হয়েছে।
২. মূলধনের সীমাবদ্ধতা: একক ব্যক্তির পক্ষে বৃহৎ পরিসরে মূলধন সরবরাহ করা প্রায়শই কঠিন হয়ে পড়ে।
৩. অসীম দায়: ব্যবসায়ের ঋণের জন্য উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি পর্যন্ত দায়ী হতে পারে।
৪. স্থায়িত্বের অনিশ্চয়তা: ব্যবসায়ের অস্তিত্ব সম্পূর্ণভাবে মালিকের জীবন, দক্ষতা ও ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এটি দীর্ঘমেয়াদে অনিশ্চিত থাকে।সুতরাং, একক উদ্যোগের প্রতিষ্ঠানটিতে স্বাধীনতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো সুবিধা থাকলেও একক ঝুঁকি ও সীমিত মূলধনের মতো সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও