ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৭
ফিন্যান্স ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র প্রশ্ন
সুলতান সাহেব শেয়ারে বিনিয়োগ করেন। তিনি বিভিন্ন ব্যাংক, বিমা ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনে পরবর্তীতে বাড়তি দামে বিক্রি করে লাভ করার চেষ্টা করেন। মাঝে মাঝে তিনি IPO-তেও আবেদন করেন। শেয়ারের দাম প্রতিনিয়ত উঠানামা করে। তিনি প্রায়ই লক্ষ্য করেন শেয়ারের মূল্য অতিমূল্যায়িত হয় আবারঅবমূল্যায়িত হয়।
- ক)(1)
ইকুইটি মূলধন কাকে বলে?
- খ)(2)
OTC মার্কেট বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
সুলতান সাহেব কোন ধরনের বাজারে বিনিয়োগ করেন? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতিটি প্রযোজ্য? উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবসায়ের অভ্যন্তরীণ উৎস হতে সংগৃহীত তহবিল বা ব্যবসায়ের মালিকদের নিজস্ব অর্থ বা শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে গঠিত মূলধনকে ইকুইটি মূলধন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
OTC (Over-The-Counter) মার্কেট বলতে এমন একটি অনানুষ্ঠানিক অনিবন্ধিত বা বিকল্প বাজারকে বোঝায়, যেখানে আনুষ্ঠানিক স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকার বাইরে থাকা কোম্পানিগুলোর শেয়ার বা সিকিউরিটিজ সরাসরি দুই পক্ষের মধ্যে অথবা মধ্যস্থতাকারীদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কেনাবেচা হয়। এতে এক্সচেঞ্জের কঠোর শর্ত পূরণ না করেও সিকিউরিটিজ লেনদেন করা যায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুলতান সাহেব মূলধন বাজার বা পুঁজিবাজারে (Capital Market), বিশেষ করে সেকেন্ডারি ও প্রাইমারি শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করেন।
যে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি সিকিউরিটিজ যেমন—শেয়ার, বন্ড, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি ক্রয়-বিক্রয় করা হয়, তাকে মূলধন বাজার বা শেয়ার বাজার বলে। এ বাজার দুই ভাগে বিভক্ত: প্রাইমারি বাজার (যেখানে নতুন শেয়ার ইস্যু করা হয়) এবং সেকেন্ডারি বাজার (যেখানে পূর্বে ইস্যুকৃত শেয়ার পুনঃক্রয়-বিক্রয় হয়)।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সুলতান সাহেব বিভিন্ন ব্যাংক, বিমা ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কিনে পরবর্তীতে বাড়তি দামে বিক্রি করেন, যা সেকেন্ডারি মার্কেটের বৈশিষ্ট্য। পাশাপাশি তিনি মাঝে মাঝে IPO (Initial Public Offering)-তেও আবেদন করেন, যা প্রাইমারি মার্কেটের লেনদেন নির্দেশ করে। অতএব, তিনি সামগ্রিকভাবে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক বাজার তথা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ঝুঁকিমুক্ত বা ঝুঁকি কমানোর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থায়নের 'পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যায়ন পদ্ধতি' (Portfolio Diversification) এবং 'সরকারি ঝুঁকিমুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ পদ্ধতি' প্রযোজ্য।
শেয়ার বাজারের শেয়ার মূল্য প্রতিনিয়ত হ্রাস-বৃদ্ধি পায়, যার ফলে মূলধনি ক্ষতি বা অবমূল্যায়নের ঝুঁকি বিদ্যমান থাকে। সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগের জন্য সরকারি ট্রেজারি বিল বা ট্রেজারি বন্ডে অর্থ বিনিয়োগ করা যায়, যেখানে মূলধন ও নির্দিষ্ট আয়ের সরকারি নিশ্চয়তা থাকে। তবে শেয়ার বাজারের ভেতরে ঝুঁকি সর্বনিম্ন বা কাম্য মাত্রায় রাখতে বৈচিত্র্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করা আবশ্যক।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সুলতান সাহেব বিভিন্ন ব্যাংক, বিমা ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বিনিয়োগ করেন। শেয়ারের দাম প্রতিনিয়ত ওঠানামা করায় তিনি মূল্যের অতিমূল্যায়ন ও অবমূল্যায়নজনিত ঝুঁকির মুখোমুখি হন। এ অবস্থায় তিনি যদি একটি একক কোম্পানির শেয়ারে সমস্ত অর্থ না রেখে বিভিন্ন খাতের লাভজনক কোম্পানিতে অর্থ ভাগ করে বিনিয়োগ করেন (পোর্টফোলিও তৈরি করেন), তবে একটির দাম কমলেও অন্যটির দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে লোকসানের ঝুঁকি প্রশমিত হবে। আর যদি তিনি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত বিনিয়োগ চান, তবে ঝুঁকিপূর্ণ সাধারণ শেয়ারের বদলে সরকারি বন্ড কিংবা ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ করাই যুক্তিযুক্ত পদ্ধতি হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও