‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২১

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

কাজল একজন ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী। সে পাইকারি বাজার থেকে মাছ ক্রয় করে খুচরা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে। মাছ সতেজ  রাখার জন্য সে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে। গতকাল রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত মাছ সে তার নিজের পরিবারের জন্য নিয়ে আসে। মাছ খেয়ে তার শিশু কন্যা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ল।

  1. ক)

    HIV এর পূর্ণরূপ কী?

    (1)
  2. খ)

    মানসিক প্রতিবন্ধী কারা? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কাজলের কর্মকাণ্ড কোন নাগরিক সমস্যা কে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লেখিত নাগরিক সমস্যা  সমাধানে তোমার মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    HIV-এর পূর্ণরূপ হলো Human Immunodeficiency Virus.

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব ব্যক্তির মানসিক বিকাশ বা বুদ্ধি স্বাভাবিক মানুষের মতো নয় এবং যারা দৈনন্দিন সাধারণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা মানসিক কার্যক্রমে অন্যের ওপর নির্ভরশীল, তাদের মানসিক প্রতিবন্ধী বলা হয়।

    জন্মগত ত্রুটি, বংশগত কারণ, মস্তিষ্কের কোনো রোগ বা আঘাতের কারণে স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হলে মানসিক প্রতিবন্ধকতা দেখা দেয়। এরা সাধারণ মানুষের তুলনায় ধীরগতিসম্পন্ন এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে বিশেষ সহায়তা ও সহানুভূতির প্রয়োজন হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে কাজলের কর্মকাণ্ড খাদ্য ভেজাল নামক গুরুতর নাগরিক সমস্যাকে নির্দেশ করে।

    মুনাফা লাভের আশায় খাদ্যে অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকর কোনো উপাদান মেশানো কিংবা খাদ্যের গুণগত মান নষ্ট করাকে খাদ্যে ভেজাল বলা হয়। এটি একটি সামাজিক ব্যাধি ও নাগরিক অপরাধ।

    উদ্দীপকে কাজল একজন ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী। সে মাছ পচন রোধ করে কৃত্রিমভাবে সতেজ রাখার জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে। এই রাসায়নিকযুক্ত মাছ খেয়ে তার নিজের শিশু কন্যাও গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় খাদ্যে ভেজাল মেশানো কেবল সাধারণ মানুষের জন্যই নয়, সবার জন্যই মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সুতরাং কাজলের এ কর্মকাণ্ড খাদ্যে ভেজাল নামক নাগরিক সমস্যাকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত খাদ্যে ভেজাল একটি মারাত্মক নাগরিক সমস্যা, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি। এ সমস্যা সমাধানে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। নিম্নে এ বিষয়ে মতামত প্রদান করা হলো:

    ১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ সহ প্রচলিত খাদ্য আইনের কঠোর ও নিরপেক্ষ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ভেজালকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।
    ২. নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা: পাইকারি ও খুচরা বাজারে ভেজাল বিরোধী অভিযান ও নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
    ৩. ব্যবসায়ীদের নৈতিকতাবোধ জাগ্রত করা: কাজলদের মতো ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যবসায়িক সততা ও নৈতিক শিক্ষা জাগ্রত করতে হবে, যাতে তারা অতিরিক্ত লাভের লোভে মানবস্বাস্থ্যের ক্ষতি না করে।
    ৪. গণসচেতনতা বৃদ্ধি: ভেজাল খাদ্যের কুফল সম্পর্কে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে এবং ভোক্তাদের রাসায়নিকমুক্ত খাদ্য শনাক্তকরণে সচেতন করতে হবে।
    ৫. সহজলভ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা: বাজারে সহজে ফরমালিন বা রাসায়নিক শনাক্তকরণের জন্য আধুনিক কিটের ব্যবস্থা করতে হবে।

    পরিশেষে বলা যায়, শুধু আইন করে নয়, বরং ব্যক্তিসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিবাদের মাধ্যমেই খাদ্যে ভেজাল নামক ভয়াবহ নাগরিক সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন