বাংলা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৭

বাংলা ২য় পত্র প্রশ্ন

3.

(ক) উদাহরণসহ সর্বনাম পদের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করো।অথবা,(খ) নিচের অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ চিহ্নিত করো: অপরের জন্য তুমি তোমার প্রাণ দাও- আমি বলতে চাই না। অপরের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দুঃখ তুমি দূর কর। অপরকে একটুখানি সুখ দাও। অপরের সঙ্গে একটুখানি মিষ্টি কথা বল। পথের অসহায় মানুষটির দিকে একটা করুণ কটাক্ষ নিক্ষেপ কর- তাহলেই অনেক হবে।

উত্তর ও ব্যাখ্যা

AI-তৈরি নমুনা উত্তর

(ক) সর্বনাম পদের শ্রেণিবিভাগ:
বিশেষ্যের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। অর্থ ও প্রয়োগের বৈচিত্র্য অনুযায়ী সর্বনাম পদকে প্রধানত নিম্নোক্ত শ্রেণিতে ভাগ করা যায়:
১. ব্যক্তিবচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম: ব্যক্তির নামের পরিবর্তে যে সর্বনাম বসে। যেমন: আমি, আমরা, তুমি, সে, তিনি।
২. আত্মবাচক সর্বনাম: কর্তা নিজেই কোনো কাজ করেছে বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন: স্বয়ং, নিজে, খোদ, আপনি।
৩. সামীপ্যবাচক সর্বনাম: নিকটবর্তী কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত সর্বনাম। যেমন: এ, এই, এরা, ইহারা।
৪. দূরত্ববাচক সর্বনাম: দূরবর্তী ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত সর্বনাম। যেমন: ও, ওই, ওরা, সেখানে।
৫. সাকুল্যবাচক সর্বনাম: ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন: সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ।
৬. প্রশ্নবাচক সর্বনাম: জানার ইচ্ছা বা প্রশ্ন করার জন্য যে সর্বনাম বসে। যেমন: কে, কী, কার, কাকে।
৭. অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক সর্বনাম: কোনো অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝাতে ব্যবহৃত সর্বনাম। যেমন: কেউ, কোনো, কিছু।
৮. পারস্পরিক সর্বনাম: দুই বা ততোধিক পক্ষের পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে যে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। যেমন: পরস্পর, আপনা-আপনি, কানাকানি।
৯. সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম: দুটি বাক্যের মধ্যে সংযোগ ঘটায় এমন সর্বনাম। যেমন: যে, যিনি, যারা, যা।
১০. ব্যতিহারিক সর্বনাম: স্বয়ং কর্তার দ্বৈত রূপ প্রকাশে ব্যবহৃত সর্বনাম। যেমন: নিজে নিজে, আপনি আপনি।

অথবা,

(খ) অনুচ্ছেদ থেকে পাঁচটি বিশেষণ পদ:
১. ক্ষুদ্র (বা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র)
২. একটুখানি
৩. মিষ্টি
৪. অসহায়
৫. করুণ

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন