যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৯

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

রহিম বললো, “বিপ্লবের মতো হেলালের কথা বলার ভঙ্গি, পোশাক পরার ধরন ও হাটাচলার ধরন একই। সুতরাং বিপ্লবের মতো হেলালও বুদ্ধিমান।”

  1. ক)

    অতিব্যাপক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি কী?

    (1)
  2. খ)

    দ্বিকোটিক বিভাগ একটি আকারগত প্রক্রিয়া কেন?

    (2)
  3. গ)

    রহিমের বক্তব্য তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?

    (3)
  4. ঘ)

    রহিমের বক্তব্যে উল্লিখিত বিষয়ের সাথে অবৈজ্ঞানিক আরোহের পার্থক্য করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সংজ্ঞায় আসন্নতম জাতির উল্লেখ না করে সুদূরতম জাতির উল্লেখ করলে অথবা সংজ্ঞার্থ পদটি সংজ্ঞেয় পদের চেয়ে অধিক ব্যক্ত্যর্থবিশিষ্ট হলে যে অনুপপত্তি ঘটে, তাকে অতিব্যাপক সংজ্ঞাজনিত অনুপপত্তি বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে যৌক্তিক বিভাগে একটি মূল সূত্রের ভিত্তিতে কোনো পদকে যুগপৎ একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক—পরস্পরবিরোধী দুটি উপজাতিতে ভাগ করা হয়, তাকে দ্বিকোটিক বিভাগ বলে।

    দ্বিকোটিক বিভাগে বস্তুগত সত্যতা বা বাস্তবের উপস্থিতির চেয়ে চিন্তার আকারগত নিয়ম (বিরোধ নিয়ম ও মধ্যম রহিত নিয়ম) কঠোরভাবে মেনে চলা হয়। এখানে কেবলমাত্র আকারের দিক থেকে 'ক' এবং 'অ-ক' এভাবে ভাগ করা হয় বিধায় এতে বাস্তব জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না। তাই দ্বিকোটিক বিভাগ একটি আকারগত প্রক্রিয়া।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রহিমের বক্তব্য পাঠ্যবইয়ের 'সাদৃশ্যানুমান' (Analogy)-কে নির্দেশ করে।

    দুটি বস্তুর মধ্যে কয়েকটি বিষয়ে সাদৃশ্য দেখে যদি অনুমান করা হয় যে তাদের মধ্যে অন্য কোনো বিষয়েও সাদৃশ্য থাকবে, তবে তাকে সাদৃশ্যানুমান বলে।

    উদ্দীপকে বিপ্লব ও হেলালের মধ্যে কথা বলার ভঙ্গি, পোশাক পরার ধরন ও হাঁটাচলার ধরন—এই কয়েকটি বাহ্যিক বিষয়ে সাদৃশ্য লক্ষ করে রহিম অনুমান করেছে যে বিপ্লবের মতো হেলালও বুদ্ধিমান হবে। কয়েকটি বিষয়ে মিল প্রত্যক্ষ করে একটি অনুল্লিখিত বা অনুমিত বিষয়ে মিলের এই সিদ্ধান্ত সাদৃশ্যানুমানের সংজ্ঞার সাথে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    রহিমের বক্তব্যে উল্লিখিত সাদৃশ্যানুমান এবং অবৈজ্ঞানিক আরোহের মধ্যে নিম্নোক্ত পার্থক্য বিদ্যমান:

    ১. সাদৃশ্যের ভিত্তি: সাদৃশ্যানুমানে দুটি পৃথক ব্যক্তি বা বস্তুর কয়েকটি গুণের মধ্যকার সাদৃশ্যের ওপর ভিত্তি করে অন্য কোনো গুণের অস্তিত্ব অনুমান করা হয়। অন্যদিকে অবৈজ্ঞানিক আরোহে কোনো গুণের একাধিক দৃষ্টান্তে অবিরাম উপস্থিতি এবং কোনো বিপরীত দৃষ্টান্তের অনুপস্থিতির ওপর ভিত্তি করা হয়।

    ২. সিদ্ধান্তের স্বরূপ: সাদৃশ্যানুমানের সিদ্ধান্ত একটি বিশেষ যুক্তিবাক্য (বা এক ব্যক্তি/বস্তু সংক্রান্ত) হতে পারে। পক্ষান্তরে, অবৈজ্ঞানিক আরোহের সিদ্ধান্ত সবসময়ই একটি সার্বিক সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য হয়।

    ৩. ব্যাপ্তি: সাদৃশ্যানুমান বিশেষ থেকে বিশেষে পরিচালিত হয় (যেমন: বিপ্লবের দৃষ্টান্ত থেকে হেলালের ক্ষেত্রে)। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক আরোহ বিশেষ বিশেষ দৃষ্টান্ত থেকে একটি সার্বিক বা সাধারণ তত্ত্বে পদার্পণ করে।

    ৪. সিদ্ধান্তের সম্ভাব্যতা: সাদৃশ্যানুমানের সিদ্ধান্তের সম্ভাব্যতা সাদৃশ্যের গুরুত্ব ও পরিমাণের ওপর নির্ভর করে। অবৈজ্ঞানিক আরোহের সম্ভাব্যতা অবাধ অভিজ্ঞতার ব্যাপ্তির ওপর নির্ভর করে, যদিও উভয়ের সিদ্ধান্তই কেবল সম্ভাব্য, নিশ্চিত নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন