‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

একটি রক্তাক্ত সংগ্রামের পর X রাষ্ট্রটি স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতা লাভের মাত্র এক বছরের মধ্যেই X নামক রাষ্ট্রটির সংবিধান প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়। এ সংবিধানটি পৃথিবীর অন্যতম সেরা সংবিধান যা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়। এ সংবিধানে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

  1. ক)

    মুসলিম লীগ কত সালে গঠিত হয়?

    (1)
  2. খ)

    মৌলিক অধিকার বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সংবিধানটির সাথে তোমার পাঠ্য বইয়ের সংবিধানের সাদৃশ্য রয়েছে কি? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধানটি পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান- বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ গঠিত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মৌলিক অধিকার বলতে নাগরিকের ব্যক্তিত্ব বিকাশ এবং মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার জন্য রাষ্ট্রীয় সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত ও সংরক্ষিত অপরিহার্য অধিকারসমূহকে বোঝায়। এ অধিকারগুলো রাষ্ট্রীয় সংবিধানের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হয় এবং কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন হলে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হতে পারেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকে উল্লিখিত সংবিধানটির সাথে আমার পাঠ্যবইয়ে আলোচিত ১৯৭২ সালের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ সাদৃশ্য রয়েছে।

    ১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার মাত্র এক বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান রচনা করে, যা ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। উদ্দীপকের 'X' রাষ্ট্রটিও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর মাত্র এক বছরের মধ্যে সংবিধান প্রণয়ন করে। তদুপরি, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা উদ্দীপকের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সংবিধানটি অর্থাৎ ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান—মতামতটি যথার্থ।

    প্রথমত, স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র এক বছরের মধ্যে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে এমন একটি সুবিন্যস্ত ও গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন বিশ্বে বিরল ঘটনা। দ্বিতীয়ত, এই সংবিধানে জনগণের সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবং সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।

    তৃতীয়ত, এতে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার মতো চারটি সুষম মূলনীতি সন্নিবেশিত করা হয়েছে, যা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে সহায়ক। চতুর্থত, নাগরিকদের চিন্তা, বিবেক, বাকস্বাধীনতা, সাম্য ও মৌলিক অধিকারকে সংবিধানের তৃতীয় ভাগে সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ ও বিচার বিভাগ দ্বারা বলবৎযোগ্য করা হয়েছে। পঞ্চমত, সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং নিরপেক্ষ বিচার বিভাগের রূপরেখা এতে স্থান পেয়েছে। সার্বিক বিবেচনায় এটি ছিল একটি প্রগতিশীল, মানবিক ও সময়োপযোগী দলিল, যার কারণে এটি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন