সমাজকর্ম ২য় পত্র • Combined Board • সমন্বিত বোর্ড ২০১৯
সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন
কাঠামোর লক্ষ কর-

- ক)(1)
অপুষ্টি কী?
- খ)(2)
প্রতিষ্ঠান বলতে কী বোঝায় ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধের মাধ্যম হিসেবে কোন প্রতিষ্ঠানকে উল্লেখ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো ।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে কী কী সামাজিক সমস্যার সমাধান সম্ভব? মতামত দাও ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শরীরের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানের অভাব বা অতিরিক্ত গ্রহণের ফলে সৃষ্ট শারীরিক অবস্থাকে অপুষ্টি বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠান হলো সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত নিয়মকানুন, মূল্যবোধ, প্রথা ও বিধিব্যবস্থা, যা মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং সামাজিক সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণের জন্য গড়ে ওঠে। সমাজবিজ্ঞানী সামনারের মতে, প্রতিষ্ঠান হলো একটি ধারণা এবং একটি কাঠামোর সমন্বয়। যেমন—পরিবার, বিবাহ, শিক্ষা ও গণমাধ্যম হলো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রতিষ্ঠান।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধের মাধ্যম হিসেবে 'গণমাধ্যম' (Mass Media)-কে উল্লেখ করা হয়েছে।
উদ্দীপকের ছকে সংবাদপত্র, বেতার, টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট—এসব উপাদানের মাধ্যমে তথ্য প্রচারের মাধ্যমকে নির্দেশ করা হয়েছে। এগুলোর সম্মিলিত রূপই হলো গণমাধ্যম।
গণমাধ্যম হলো তথ্য, বিনোদন ও শিক্ষা জনসাধারণের কাছে ব্যাপকভাবে পৌঁছে দেওয়ার একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিষ্ঠান। এটি সমাজের বিভিন্ন কুসংস্কার, অনিয়ম, বৈষম্য এবং ক্ষতিকর সামাজিক সমস্যাগুলোর কুফল তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে। মানুষের চিন্তাভাবনা ও আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সমস্যা প্রতিরোধে গণমাধ্যম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি অর্থাৎ গণমাধ্যমের মাধ্যমে যৌতুক, বাল্যবিয়ে, মাদকাসক্তি, নিরক্ষরতা, নারী ও শিশু নির্যাতন, পরিবেশ দূষণ এবং দুর্নীতির মতো নানাবিধ সামাজিক সমস্যার সমাধান ও প্রতিরোধ সম্ভব।
১. বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রথা নিরসন: নাটক, প্রামাণ্যচিত্র ও সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাল্যবিয়ে এবং যৌতুকের মারাত্মক সামাজিক ও শারীরিক ক্ষতিকর দিকগুলো জনসম্মুখে তুলে ধরে জনমত গঠন করা যায়।
২. মাদকাসক্তি প্রতিরোধ: তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতন করতে বেতার, টেলিভিশন ও ইন্টারনেটে বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা যায়।
৩. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা: পরিকল্পিত পরিবারের গুরুত্ব এবং বিভিন্ন ছোঁয়াচে রোগ ও অপুষ্টি প্রতিরোধে গণমাধ্যম তথ্যভিত্তিক পরামর্শ দিয়ে মানুষকে সচেতন করে।
৪. নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ: নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনের প্রয়োগ ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গণমাধ্যম সাহসিকতার সাথে সংবাদ পরিবেশন করে।
৫. অপরাধ দমন ও দুর্নীতি রোধ: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রকাশ করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে জনমত ও আইনি ব্যবস্থা জোরদার করা সম্ভব হয়।
সুতরাং, গণমাধ্যম সমাজসচেতনতা ও ইতিবাচক জনমত সৃষ্টির মাধ্যমে বহুবিধ জটিল সামাজিক সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও