পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব 'X' রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা। তিনি রাষ্ট্রের স্বার্থে যেকোনো আদালতে বক্তব্য পেশ করতে পারেন। তার কাজের দক্ষতার উপর সরকারের ভাবমূর্তি অনেকাংশে নির্ভর করে। জনাব 'X'- এর ছোট ভাই 'Y' অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে বিওশালী হয়েছেন। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে একটি প্রতিষ্ঠান তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ অর্থের উৎস অনুসন্ধান করে মামলা পরিচালনা করেছে।
- ক)(1)
বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণীত হয় কত সালে?
- খ)(2)
ইভটিজিং রোধ করা প্রয়োজন কেন?
- গ)(3)
জনাব 'X' কোন সাংবিধানিক পদে কর্মরত? তার ক্ষমতা ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
'Y'- এর ব্যাপারে উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান গৃহীত কার্যক্রম দুর্নীতি দমনে কতটুকু সহায়ক হবে বলে তুমি মনে কর?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান ১৯৭২ সালে (৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত এবং ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর) প্রণীত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইভটিজিং নারীর মানসিক ও শারীরিক বিকাশের পথে একটি বড় অন্তরায়। এটি নারীর স্বাভাবিক চলাফেরা, শিক্ষা অর্জন এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে, যার কারণে অনেক ক্ষেত্রে বাল্যবিয়ে ও আত্মহত্যার মতো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। তাই সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং একটি সুস্থ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য ইভটিজিং রোধ করা অপরিহার্য।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনাব 'X' সাংবিধানিক পদ 'অ্যাটর্নি জেনারেল' পদে কর্মরত। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তিনি নিযুক্ত হন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
১. তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট ও অন্যান্য আদালতে রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনা ও বক্তব্য পেশ করেন।
২. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রেরিত যেকোনো আইনগত বিষয়ে সরকারকে আইনগত পরামর্শ প্রদান করেন।
৩. তিনি বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে শুনানির অধিকার রাখেন।
৪. সংবিধান ও আইনের ব্যাখ্যায় সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষা করেন। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
'Y'-এর বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থের উৎস অনুসন্ধান ও মামলা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানটি হলো দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের গৃহীত কার্যক্রম দুর্নীতি দমনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি।
কারণ, দুদক একটি স্বাধীন ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি ব্যক্তির অবৈধ সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করে। যখন প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা ও মামলা পরিচালনা করা হয়, তখন সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দুর্নীতিবাজদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে এবং অন্যদের দুর্নীতিতে জড়ানো থেকে বিরত রাখে। ফলে আর্থিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত হয়। সুতরাং, এ ধরনের পদক্ষেপ দুর্নীতি দমনে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও সহায়ক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও