জীববিজ্ঞান ২য় পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২১
জীববিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
হিমোসিল কী?
- খ)(2)
মানুষের মধ্যে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্য কেন দেখা যায়?
- গ)(3)
'P' এর অন্তর্ভুক্ত শ্রেণিগুলোর পার্থক্য করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে 'R' এর প্রাণিগুলোর মাঝে শ্রেণিগত পার্থক্য থাকলেও বেশকিছু ক্ষেত্রে সাদৃশ্য প্রদর্শন করে- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের রক্তপূর্ণ ও মেসোডার্মাল পেরিটোনিয়াম দ্বারা আবৃত নয় এমন সিলোমিক গহ্বরকে হিমোসিল (Haemocoel) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মানুষ একই প্রজাতি (Homo sapiens)-এর অন্তর্ভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও জিনগত বৈচিত্র্য বা মিউটেশন, যৌন জননের সময় ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে নতুন জিনীয় বিন্যাস এবং পরিবেশীয় পার্থক্যের ফলে মানুষের মধ্যে গায়ের রং, চুলের ধরন, চোখের মণির রং, উচ্চতা ইত্যাদি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতা বা অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্য দেখা যায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'P' হলো কর্ডাটা পর্বের উপপর্ব ইউরোকর্ডাটা (Urochordata)। ইউরোকর্ডাটা উপপর্বের অন্তর্ভুক্ত তিনটি শ্রেণি হলো: ১. Larvacea (লার্ভাসিয়া), ২. Ascidiacea (অ্যাসিভিয়াসিয়া) এবং ৩. Thaliacea (থ্যালিয়াসিয়া)।
এদের মধ্যকার পার্থক্য নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. দেহাকৃতি: লার্ভাসিয়ার দেহ বাঁকানো ও ব্যাঙাচি আকারের; অ্যাসিডিয়াসিয়ার দেহ নলাকার বা থলে আকৃতির; থ্যালিয়াসিয়ার দেহ পিপা আকৃতির বা বেলনাকার।
২. টিunic বা টেস্ট: লার্ভাসিয়ায় টেস্ট সাময়িক ও জেলির মতো স্বচ্ছ; অ্যাসিডিয়াসিয়ায় টেস্ট স্থায়ী, পুরু ও শক্ত; থ্যালিয়াসিয়ায় টেস্ট স্থায়ী ও পাতলা স্বচ্ছ।
৩. লেজ ও নটোকর্ড: লার্ভাসিয়ার পরিণত অবস্থায় লেজ ও নটোকর্ড উপস্থিত থাকে; অ্যাসিডিয়াসিয়া ও থ্যালিয়াসিয়ায় পরিণত দশায় লেজ ও নটোকর্ড বিলুপ্ত হয়।
৪. গলবিলীয় ফুলকা রন্ধ্র: লার্ভাসিয়ায় মাত্র একজোড়া ফুলকারন্ধ্র থাকে; অ্যাসিডিয়াসিয়ায় অসংখ্য থাকে; থ্যালিয়াসিয়ায় দুই বা ততোধিক ফুলকারন্ধ্র বিদ্যমান।
৫. জীবনযাপন: লার্ভাসিয়া মুক্তসাঁতারু প্ল্যাঙ্কটনিক; অ্যাসিডিয়াসিয়ার পূর্ণাঙ্গ প্রাণী নিশ্চল বা নিমজ্জিত বস্তুর সাথে সংলগ্ন থাকে; থ্যালিয়াসিয়া মুক্তভাবে সাঁতার কাটে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'R' হলো কর্ডাটা পর্বের উপপর্ব ভার্টিব্রাটা (Vertebrata), যার দুটি অধিশ্রেণি R(i) অগ্নাথোস্টোমাটা (Agnatha) এবং R(ii) ন্যাথোস্টোমাটা (Gnathostomata)। এদের অধীনে সাইক্লোস্টোমাটা ও বিভিন্ন মৎস্য ও চতুষ্পদী শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত। এদের মধ্যে শ্রেণিগত বহু পার্থক্য থাকলেও বেশ কিছু মৌলিক ক্ষেত্রে গভীর সাদৃশ্য দেখা যায়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
১. নটোকর্ডের রূপান্তর: উভয় শ্রেণির প্রাণীদের ভ্রূণাবস্থায় নটোকর্ড উপস্থিত থাকে, যা পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় তরুণাস্থিময় বা অস্থিময় মেরুদণ্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।
২. পৃষ্ঠীয় ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু: উভয় দলের প্রাণীদের পৃষ্ঠীয় ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু অগ্রভাগে স্ফীত হয়ে মস্তিষ্কে এবং পশ্চাৎভাগে সুষুম্নাকাণ্ডে রূপান্তরিত হয়।
৩. করোটি (Cranium): মস্তিষ্ক সুরক্ষার জন্য উভয় ধরনের প্রাণীতেই সুগঠিত অস্থিময় বা তরুণাস্থিময় ক্রেনিয়াম বা করোটি বিদ্যমান থাকে।
৪. সংবহনতন্ত্র: উভয় শ্রেণির প্রাণীদের রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির এবং এদের অঙ্কীয়দেশে পেশিবহুল প্রকোষ্ঠযুক্ত হৃৎপিণ্ড উপস্থিত।
৫. এন্ডোস্কেলেটন: এদের উভয়ের শরীরেই জীবিত অভ্যন্তরীণ কঙ্কাল (Endoskeleton) বিদ্যমান যা দেহের কাঠামো গঠন ও বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।
৬. সংবেদী অঙ্গ ও রেচনতন্ত্র: মস্তিষ্ক থেকে ক্রেনিয়াল নার্ভ নির্গত হয় এবং উন্নত রেচন অঙ্গ হিসেবে একজোড়া বৃক্ক উপস্থিত থাকে।সুতরাং, চোয়াল, পাখনা বা জীবনধারায় শ্রেণিগত বিভিন্ন পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ভার্টিব্রাটার মৌলিক শারীরবৃত্তীয় ও গাঠনিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এদের মধ্যে স্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও