পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
জনি পাঁচ বছর বয়সে একটি শিশু। তার চেহারা ও অবয়ব অন্যান্য শিশুদের মত নয়। তার মধ্যে সীমাবদ্ধ কিছু কাজ বা আচরণের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। সে অন্যদের তুলনায় একটু বেশি বা কম সংবেদনশীল।
- ক)(1)
প্রতিবন্ধী শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
- খ)(2)
ইভটিজিং বন্ধ করা প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনি কি ধরনের শিশু? তোমার পাঠ্য বইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে জনির মতো শিশুরা একদিন সম্পদে পরিণত হবে -তুমি কি একমত? আলোচনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিবন্ধী শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Disabled' বা 'Handicapped' (বর্তমানে ইতিবাচক অর্থে 'Differently abled' বা 'Person with Disability'-ও ব্যবহৃত হয়)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নারীর নিরাপত্তা, ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা এবং সমাজে সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে ইভটিজিং বন্ধ করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
ইভটিজিং হলো প্রকাশ্যে বা কর্মক্ষেত্রে নারীদের উদ্দেশে কটূক্তি, অশালীন মন্তব্য, ইঙ্গিত বা মানসিক নির্যাতন করা। এর ফলে নারী ও কিশোরীদের স্বাভাবিক মানসিক ও শারীরিক বিকাশ ব্যাহত হয়, তাদের শিক্ষার পথ বন্ধ হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে আত্মহত্যার মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, সভ্য ও নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য ইভটিজিং নির্মূল করা আবশ্যক।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনি হলো একজন অটিস্টিক শিশু (বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন/প্রতিবন্ধী শিশু)।
পাঠ্যবইয়ের আলোকে, অটিজম হলো শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি সমস্যা, যা সাধারণত জীবনের প্রথম তিন বছরের মধ্যে প্রকাশ পায়। অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক অবয়ব বা আচরণে ভিন্নতা থাকতে পারে, তারা একই কাজ বারবার করার প্রবণতা দেখায় এবং তাদের সংবেদনশীলতা (স্পর্শ, শব্দ, আলো ইত্যাদিতে প্রতিক্রিয়া) সাধারণের তুলনায় অস্বাভাবিক রকম বেশি বা কম হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে জনির মধ্যে সীমাবদ্ধ কাজের পুনরাবৃত্তি, সংবেদনশীলতার তারতম্য এবং ভিন্ন শারীরিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়, যা অটিস্টিক শিশুর বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ। অতএব, জনি অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি এ বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত যে, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও যত্ন পেলে জনির মতো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা একদিন জাতীয় সম্পদে পরিণত হতে পারে।
অটিস্টিক বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা সমাজের বোঝা নয়। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয়, উপযুক্ত চিকিৎসা, বিশেষায়িত শিক্ষা, এবং স্নেহশীল পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ পেলে তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটে। অনেক অটিস্টিক শিশুর মধ্যে কোনো কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে (যেমন- অঙ্কন, সংগীত, গণিত বা তথ্যপ্রযুক্তি) অসাধারণ প্রতিভা ও দক্ষতা লক্ষ্য করা যায়।
তাদেরকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরের জন্য প্রয়োজন বিশেষায়িত কারিগরি শিক্ষা, মানসিক সহায়তা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। সমাজ যদি তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব পোষণ করে, তবে তারা নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতি ও উন্নয়নে সক্রিয় অবদান রেখে সত্যিকার অর্থেই সম্পদে পরিণত হতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও