‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৭

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি আঞ্চলিক সংস্থার সদস্য। সংস্থাটি এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা তৈরিতে কাজ করছে। দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জীবনযাত্রার মান। উন্নয়নই এর মূল লক্ষ্য। এ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকাপালন করে। এর সদস্য সংখ্যা আট।

  1. ক)

    প্রতিবন্ধি কারা?

    (1)
  2. খ)

    ওআইসি (OIC) কেন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে যে আঞ্চলিক সংস্থার কথা বলা হয়েছে সেটির মূলনীতি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সংস্থার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যাঁরা জন্মগতভাবে বা কোনো দুর্ঘটনা কিংবা রোগের কারণে শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিগত বা ইন্দ্রিয়গতভাবে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি বৈকল্যের শিকার এবং যার ফলে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়, তাঁদের প্রতিবন্ধী বলা হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট ইসরায়েল কর্তৃক মুসলমানদের প্রথম কিবলা পবিত্র আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিম বিশ্ব গভীরভাবে ক্ষুব্ধ হয়। এর ফলে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য, সংহতি প্রতিষ্ঠা এবং মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি (OIC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সংস্থা সার্কের (SAARC) কথা বলা হয়েছে।

    সার্কের মূলনীতিসমূহ নিম্নরূপ:
    ১. সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।
    ২. এই সহযোগিতা কোনো দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিকল্প হবে না, বরং তা হবে বিদ্যমান সহযোগিতার পরিপূরক।
    ৩. এই সহযোগিতা কোনো সদস্য রাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক বাধ্যবাধকতার সাথে সাংঘর্ষিক হবে না।
    ৪. সার্কের সকল স্তরের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হবে এবং দ্বিপাক্ষিক ও বিতর্কিত বিষয়গুলো আলোচনা থেকে বাদ থাকবে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সংস্থাটি হলো সার্ক (SAARC)। সার্কের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও ঐতিহাসিক।

    সার্ক প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিল বাংলাদেশ। ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আঞ্চলিক ফোরাম গঠনের উদ্যোগ নেন। বাংলাদেশের সক্রিয় প্রচেষ্টায় ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে ঢাকায় প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে সার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এবং এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি।

    সার্কের খাদ্য নিরাপত্তা ভাণ্ডার, দারিদ্র্য বিমোচন, বাণিজ্য সম্প্রসারণে সাফটা (SAFTA) চুক্তি কার্যকরীকরণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে বাংলাদেশ সর্বদা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং সন্ত্রাসবাদ দমনেও সার্কের প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ফলে সার্ক বাংলাদেশের আঞ্চলিক কূটনীতি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন