পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
সেলিম বলল, আমার বাবার রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান কর্মরত। তার প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নির্বাচন সহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্র চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য প্রতিনিধি বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অনন্য।
- ক)(1)
বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক কে?
- খ)(2)
ইভটিজিং রোধ করা প্রয়োজন কেন?
- গ)(3)
সেলিমের বাবার কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সাথে তোমার পঠিত কোন প্রতিষ্ঠানের সাদৃশ্য আছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
তুমি কি মনে কর, উক্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যথার্থ ভূমিকা পালন করছে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশ সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক হলো সুপ্রিম কোর্ট।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইভটিজিং হলো নারীদের প্রতি এক ধরনের সামাজিক অপরাধ ও মানসিক হয়রানি, যা নারীর মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক চলাফেরাকে বিঘ্নিত করে। এর ফলে বহু নারী শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে অগ্রসর হতে পারে না এবং অনেক ক্ষেত্রে মানসিক ট্রমার কারণে আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নেয়। সুস্থ, নিরাপদ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বার্থে ইভটিজিং রোধ করা অপরিহার্য।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সেলিমের বাবার কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার পঠিত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন'-এর সাদৃশ্য রয়েছে।
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে থাকে। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান যা স্থানীয়, জাতীয় এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে এবং অবাধ ও গ্রহণযোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনে ভূমিকা রাখে। নির্বাচন কমিশনের মূল দায়িত্বই হলো দেশে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা। সুতরাং, কার্যপরিধি ও সাংবিধানিক মর্যাদার দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি মনে করি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিসীম।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকার গঠন ও জনগণের মতামত প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো নির্বাচন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভোটার তালিকা প্রণয়ন, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রণয়ন ও প্রয়োগ, সীমানা নির্ধারণ এবং ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা করে থাকে। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য কমিশনকে সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ প্রদর্শন ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হয়।
কমিশন যদি সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতা যথাযথভাবে প্রয়োগ করে সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে, তবে ভুয়া ভোটার রোধ, পেশিশক্তি ও অর্থশক্তির অপব্যবহার বন্ধ করে প্রকৃত জনপ্রতিনিধি বাছাই করা সম্ভব হয়। ফলে গণতান্ত্রিক ধারা সমুন্নত থাকে এবং জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষিত হয়। অতএব, উপযুক্ত জনপ্রতিনিধি বাছাই ও গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা অনস্বীকার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও