বাংলা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৪

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

আমরা নূতন যৌবনের দূত আমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুদ। আমরা বেড়াভাঙি। আমরা অশোক বনের রাঙা নেশায় রাঙি। ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দেই- আমরা বিদ্যুৎ।আমরা করি ভুল অগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কুল।

  1. ক)

    আঠারো বছর বয়সে কী উঁকি দেয়?

    (1)
  2. খ)

    "এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়"-ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের প্রথম তিনটি পংক্তি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'আমরা বিদ্যুৎ' এবং 'আঠারো বছর বয়সে'র 'পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান' একই চেতনায় উদ্বুদ্ধ-আলোচনা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আঠারো বছর বয়সে অহরহ উঁকি দেয় নানা রকমের ‘বিপদ’।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "এ বয়স জেনো ভীরু, কাপুরুষ নয়" বলতে আঠারো বছর বয়সের অকুতোভয় ও সংগ্রামী মনোভাবকে বোঝানো হয়েছে।

    সুকান্ত ভট্টাচার্যের মতে, আঠারো বছর বয়সে কোনো ভীরুতা বা দ্বিধাদ্বন্দ্বের স্থান নেই। এ বয়সের তরুণেরা কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না এবং ভয়ের কাছে পরাস্ত হয়ে পিছু হটে না। তারা সত্য ও ন্যায়ের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে এবং সাহসের সাথে যেকোনো বিপদের মুখোমুখি হতে সদা প্রস্তুত থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের প্রথম তিনটি পংক্তি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার তারুণ্যের চাঞ্চল্য ও প্রচলিত নিয়ম ভাঙার বৈশিষ্ট্যের সাথে গভীরভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ।

    উদ্দীপকের প্রথম তিনটি পংক্তিতে বলা হয়েছে—"আমরা নূতন যৌবনের দূত / আমরা চঞ্চল আমরা অদ্ভুদ। / আমরা বেড়াভাঙি।" এখানে নতুন যৌবনের দূত হিসেবে তরুণেরা যেমন প্রথাবদ্ধ বেড়াজাল ও অচলায়তন ভেঙে ফেলতে চায়, ঠিক তেমনি সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাতেও এই বয়সের তরুণেরা জরা ও সংস্কারের শৃঙ্খল ভাঙতে বদ্ধপরিকর।

    কবিতায় কবি উল্লেখ করেছেন যে, আঠারো বছর বয়স স্পর্ধায় মাথা তোলার বয়স এবং এ বয়সে তরুণেরা কোনো বাধা-নিষেধ মানে না। উদ্দীপকের 'বেড়াভাঙি' কথাটির মধ্য দিয়ে যে প্রচলিত শৃঙ্খলমুক্তির আকুলতা প্রকাশিত হয়েছে, তা কবিতার তারুণ্যের দুর্বার ও প্রচলিত অচলায়তন ভাঙার স্বভাবের সাথেই সম্পূর্ণ মিলে যায়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'আমরা বিদ্যুৎ' এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার 'পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান' উভয় অভিব্যক্তিই তারুণ্যের গতিশীলতা, অপ্রতিরোধ্য শক্তি ও ধ্বংসাত্মক বিপ্লবের একই চেতনায় উদ্বুদ্ধ।

    বিদ্যুৎ যেমন তীব্র গতিসম্পন্ন, তেজীয়ান এবং মুহূর্তেই যেকোনো বাধাকে চূর্ণ করে অন্ধকার দূর করতে পারে, উদ্দীপকের তরুণেরাও নিজেদের সেই বিদ্যুৎ-শক্তির সাথে তুলনা করে বন্ধন ছিন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। তারা শান্ত বা স্থবির নয়, বরং প্রচণ্ড শক্তিমত্তার প্রতীক।

    অন্যদিকে, সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় এই বয়সকে তুফানের মতো গতিশীল বলা হয়েছে। 'পথে প্রান্তরে ছোটায় বহু তুফান' চরণের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, আঠারো বছরের তরুণেরা অন্যায়, শোষণ ও জড়তার বিরুদ্ধে ঝড়ের বেগে ধাবিত হয় এবং কোনো বাঁধাধরা নিয়ম তাদের রুখতে পারে না। তারা সমাজ পরিবর্তনের জন্য প্রাণপণ শক্তিতে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

    উভয় ভাবধারাতেই তারুণ্যের জড়তাহীন, তীব্র বেগবান ও শৃঙ্খলভাঙা শক্তির জয়গান গাওয়া হয়েছে। উদ্দীপকের 'বিদ্যুৎ' এবং কবিতার 'তুফান' রূপকের মাধ্যমে সেই অপরাজেয় তেজ ও বিপ্লবের চেতনাকেই প্রকাশ করা হয়েছে। সুতরাং, উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন