যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    বিশ্লেষক যুক্তিবাক্য কী ?

    (1)
  2. খ)

    অবধারণ বলতে কী বোঝ ?

    (2)
  3. গ)

    ছক -১ কোন ধরনের যুক্তিবাক্যের শ্রেণিবিভাগ ? ব্যাখ্যা করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    যুক্তিবাক্যের শ্রেণিবিভাগ অনুসারে ছক -২ এবং ছক -৩ বর্ণনা করো ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের জাত্যর্থ বা জাত্যর্থের অংশবিশেষকে ব্যক্ত করে এবং নতুন কোনো তথ্য প্রকাশ করে না, তাকে বিশ্লেষক যুক্তিবাক্য বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুটি ধারণার মধ্যে কোনো একটি সম্পর্কের মানসিক স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতিকে অবধারণ (Judgement) বলে। অবধারণ হলো একটি মানসিক প্রক্রিয়া, যা ভাষায় প্রকাশিত হলে যুক্তিবাক্যে পরিণত হয়। যেমন— মনে মনে 'মানুষ' ও 'মরণশীল' ধারণা দুটির মধ্যে মিল প্রত্যক্ষ করে 'মানুষ হয় মরণশীল' ভাবা একটি অবধারণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ছক-১ হলো উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের তাৎপর্য বা তাৎপর্যবিষয়ক সম্পর্কের ভিত্তিতে যুক্তিবাক্যের শ্রেণিবিভাগ।

    উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যকার সম্পর্কের তাৎপর্য বা অর্থের গভীরতা অনুসারে যুক্তিবাক্যকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: (১) বিশ্লেষক যুক্তিবাক্য এবং (২) संश्लेষক যুক্তিবাক্য।
    ১. বিশ্লেষক যুক্তিবাক্য: যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের সহজাত জাত্যর্থ বা জাত্যর্থের অংশকে পুনরাবৃত্তি করে এবং নতুন কোনো তথ্য দেয় না, তাকে বিশ্লেষক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন— 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব'।
    ২. संश्লেষক যুক্তিবাক্য: যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদ উদ্দেশ্য পদের জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো নতুন গুণ বা তথ্য প্রকাশ করে, তাকে সংশ্লেষক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন— 'মানুষ হয় স্বার্থপর'।
    সুতরাং, উদ্দীপকের ছক-১ তাৎপর্য বা অর্থ অনুযায়ী যুক্তিবাক্যের শ্রেণিবিভাগ নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ছক-২ হলো গুণের ভিত্তিতে এবং ছক-৩ হলো পরিমাণের ভিত্তিতে যুক্তিবাক্যের শ্রেণিবিভাগ। নিচে এদের বিশদ বর্ণনা দেওয়া হলো:

    ছক-২ (গুণ অনুসারে যুক্তিবাক্য):
    উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যে সম্পর্কের প্রকৃতি বা স্বীকৃতির ওপর ভিত্তি করে যুক্তিবাক্যকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
    ১. সদর্থক যুক্তিবাক্য (Affirmative Proposition): যে যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে বিধেয় পদ কোনো কিছু স্বীকার করে, তাকে সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন— 'সব মানুষ হয় মরণশীল'।
    ২. নঞর্থক যুক্তিবাক্য (Negative Proposition): যে যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে বিধেয় পদ কোনো কিছু অস্বীকার করে, তাকে নঞর্থক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন— 'কোনো মানুষ নয় নিখুঁত'।

    ছক-৩ (পরিমাণ অনুসারে যুক্তিবাক্য):
    উদ্দেশ্য পদের ব্যক্ত্যর্থ বা পরিমাণের ব্যাপ্তির ওপর ভিত্তি করে যুক্তিবাক্যকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
    ১. সার্বিক যুক্তিবাক্য (Universal Proposition): যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে কোনো কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে, তাকে সার্বিক যুক্তিবাক্য বলে। যেমন— 'সকল দার্শনিক হন চিন্তাশীল'।
    ২. বিশেষ যুক্তিবাক্য (Particular Proposition): যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের ব্যক্ত্যর্থের একটি অনির্দিষ্ট অংশ সম্পর্কে কোনো কিছু স্বীকার বা অস্বীকার করে, তাকে বিশেষ যুক্তিবাক্য বলে। যেমন— 'কিছু ফুল হয় লাল'।

    অতএব, ছক-২ ও ছক-৩ যথাক্রমে গুণ ও পরিমাণের ভিত্তিতে যুক্তিবাক্যের মৌলিক শ্রেণিবিভাগকে সার্থকভাবে উপস্থাপন করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন