যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৫

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

ড. আমিনুল ইসলাম একজন দার্শনিক। তিনি ১৯৪৩ সালের ১লা জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অত্যন্ত জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি। এই জ্ঞানপিপাসু গুণের কারণে তিনি সকলের নিকট অত্যন্ত সম্মানিত।

  1. ক)

    উপজাতি কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    বিধেয় ও বিধেয়ক কী সমার্থক? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ১৯৪৩ সালের ১লা জানুয়ারি কোন ধরনের বিধেয়ক? পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    "জ্ঞানপিপাসু” কোন ধরনের বিধেয়ক? পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার শ্রেণিবিভাগ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুটি আপেক্ষিক শ্রেণির মধ্যে যে শ্রেণিটির ব্যক্ত্যর্থ কম এবং যা বৃহত্তর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত, তাকে উপজাতি (Species) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    না, বিধেয় ও বিধেয়ক এক বা সমার্থক নয়।

    যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়, তাকে বিধেয় বলে। বিধেয় হলো একটি নির্দিষ্ট পদ। অপরদিকে, কোনো সদর্থক যুক্তিবাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় পদের মধ্যকার যে গুণগত বা পারস্পরিক সম্পর্ক, তাকে বিধেয়ক বলে। বিধেয় একটি পদ কিন্তু বিধেয়ক কোনো পদ নয়, বরং এটি উদ্দেশ্য ও বিধেয়ের মধ্যকার সম্পর্কের প্রকৃতি নির্দেশ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত "১৯৪৩ সালের ১লা জানুয়ারি" ড. আমিনুল ইসলামের ক্ষেত্রে 'অবিচ্ছেদ্য ব্যক্তিগত লক্ষণ' (Inseparable Accidental Property of an individual) নামক অবান্তর লক্ষণ।

    পাঠ্যবইয়ের আলোকে, যে গুণ কোনো পদের আসন্নতম বা মৌলিক অপরিহার্য গুণ নয় এবং যা জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃতও হয় না, তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। আবার অবান্তর লক্ষণ দুই প্রকার: ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ এবং শ্রেণিগত অবান্তর লক্ষণ। কোনো বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে যে গুণটি পরিবর্তন করা একেবারেই অসম্ভব এবং যা তার জন্ম থেকেই স্থায়ীভাবে যুক্ত থাকে, তাকে অবিচ্ছেদ্য ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ বলে।

    উদ্দীপকে ড. আমিনুল ইসলামের জন্মতারিখ "১৯৪৩ সালের ১লা জানুয়ারি" একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক তথ্য বা গুণ, যা তাঁর ব্যক্তি-অস্তিত্বের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং যা কখনো পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ফলে এটি একটি অবিচ্ছেদ্য ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণ বিধেয়ক।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত "জ্ঞানপিপাসু" গুণটি দার্শনিক ড. আমিনুল ইসলামের ক্ষেত্রে 'উপলক্ষণ' (Proprium) নামক বিধেয়ক।

    পাঠ্যবইয়ের আলোকে, যে গুণ কোনো পদের মূল জাত্যর্থ বা জাত্যর্থের অংশ নয়, কিন্তু জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়, তাকে উপলক্ষণ বলে। মানুষ হিসেবে তাঁর জাত্যর্থ হলো জীববৃত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তি। মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি থেকেই জ্ঞানার্জন বা জ্ঞানপিপাসার স্বভাবটি অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়। তাই "জ্ঞানপিপাসু" হলো একটি উপলক্ষণ।

    উপলক্ষণের শ্রেণিবিভাগ:
    যুক্তিবিদ্যায় উপলক্ষণ প্রধানত দুই প্রকার:
    ১. জাতিগত উপলক্ষণ (Generic Proprium): যে উপলক্ষণ কোনো শ্রেণির অন্তর্গত জাতির জাত্যর্থ থেকে নিঃসৃত হয়। যেমন— মানুষের মরণশীলতা (যা মানুষের প্রাণী বা জীববৃত্তি নামক জাত্যর্থ থেকে আসে)।
    ২. উপজাতিগত উপলক্ষণ (Specific Proprium): যে উপলক্ষণ কোনো উপজাতির নিজস্ব লক্ষণ বা বিশেষ জাত্যর্থ (বিভেদক লক্ষণ) থেকে নিঃসৃত হয়। যেমন— মানুষের বিচারশক্তি বা হাসার ক্ষমতা।

    উদ্দীপকের "জ্ঞানপিপাসু" গুণটি মানুষের অন্যতম মৌলিক বিশেষ গুণ 'বুদ্ধিবৃত্তি' (বিভেদক লক্ষণ) থেকে নিঃসৃত হয়েছে। সুতরাং, এটি একটি 'উপজাতিগত উপলক্ষণ'।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন