বাংলা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৬

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

আমি কখনও ধূপ কখনও রজনীগন্ধা।
তোমরা যখন সুগন্ধ নাও-তখন আমি পুড়ি
নিভে গেলে শুধু পাই এক রাশি ছাই।
প্রয়োজনে দামি ফুলদানিতে সাজিয়ে রাখো রজনী বলে।
রূপ দিয়ে, যৌবন দিয়ে-সুবাস দিয়ে তখনও মলিন রূপে ঝরে যাই।।

  1. ক)

    হঠাৎ কোন প্রকৃতির লোক এলো?

    (1)
  2. খ)

    ‘নিমগাছ’ গল্পে কারা প্রশংসায় পঞ্চমুখ? বুঝিয়ে লেখো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে ‘নিমগাছ’ গল্পের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে ‘নিমগাছ’ গল্পের লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষা কতটুকু ধ্বনিত হয়েছে বলে তুমি মনে করো? যৌক্তিক মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    হঠাৎ একজন কবি প্রকৃতির (ভাবুক) লোক এলো।

  2. খ)

    'নিমগাছ' গল্পে যারা নিমগাছের উপকারিতা ভোগ করে, যেমন গৃহস্থ, কবিরাজ, ডাক্তার ও অন্যান্য মানুষ, তারা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তারা নিজেদের প্রয়োজনে গাছের পাতা, ডাল ও ছাল ব্যবহার করে। কিন্তু প্রশংসার আড়ালে থাকে স্বার্থ; কেউ তার অনুভূতি বা সৌন্দর্যের মূল্য দেয় না।

  3. গ)

    উদ্দীপকের কবিতাংশে ধূপ ও রজনীগন্ধার প্রতীকে দেখা যায়, অন্যেরা সুগন্ধ নেওয়ার সময় সে পুড়ে ছাই হয়, প্রয়োজন শেষে তাকে ঝরে যেতে হয়। এখানে ব্যবহৃত হয়েও মর্যাদা না পাওয়ার বেদনা প্রকাশ পেয়েছে।

    'নিমগাছ' গল্পেও নিমগাছ সবার উপকারে লাগে, কিন্তু কেউ তার সৌন্দর্য বা অনুভূতির মূল্য দেয় না। উভয়ের মধ্যে অন্যের উপকার করে নিজে অবহেলিত থাকার ভাব একই। তাই সাদৃশ্য রয়েছে।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকে 'নিমগাছ' গল্পের লক্ষ্মীবধূর আকাঙ্ক্ষা আংশিক ধ্বনিত হয়েছে বলে আমি মনে করি।

    ১. ব্যবহৃত হওয়ার বেদনা: উদ্দীপকের বক্তা ধূপের মতো পুড়ে অন্যকে সুগন্ধ দেন। লক্ষ্মীবধূও সংসারে সবার সেবা করে নিজের সুখ বিসর্জন দেন। এ মিল স্পষ্ট।
    ২. মর্যাদার চাওয়া: উদ্দীপকে বক্তা ব্যবহারের পর অবহেলিত হওয়ার কষ্ট জানাচ্ছেন। লক্ষ্মীবধূও একটু ভালোবাসা ও সম্মানের আশা করেন।
    ৩. সীমাবদ্ধতা: তবে লক্ষ্মীবধূর মুক্তি, সৌন্দর্যের স্বীকৃতি বা বন্ধন থেকে বেরিয়ে আসার গভীর আকাঙ্ক্ষা উদ্দীপকে সরাসরি প্রকাশ পায়নি।

    সুতরাং, উদ্দীপকে লক্ষ্মীবধূর শোষিত অবস্থা ও মর্যাদার আকাঙ্ক্ষা ধ্বনিত হলেও তার পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা ফুটে ওঠেনি।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন