‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • জনমত ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

প্রফেসর গোলাম রাব্বানী সম্প্রতি 'ক' রাষ্ট্র সফর করেন। তিনি দেখতে পান, সেখানকার রাজনৈতিক ব্যবস্থায় জনগণের মতামত খুবই প্রাধান্য পায়। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ায় সরকারের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

  1. ক)

    আইনের ৬টি উৎসের কথা কে বলেছেন?

    (1)
  2. খ)

    জবাবদিহিতা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    'ক' রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কীসের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে-তুমি কি একমত?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হল্যাণ্ড (Holland) আইনের ৬টি উৎসের কথা বলেছেন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জবাবদিহিতা (Accountability) বলতে কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সরকার কর্তৃক তার গৃহীত সিদ্ধান্ত ও সম্পাদিত কাজের যৌক্তিক ব্যাখ্যা প্রদানের বাধ্যবাধকতাকে বোঝায়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারের প্রতিটি কাজের জন্য আইনসভা তথা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকা এবং অর্পিত দায়িত্বের ফলাফল সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করা হলো জবাবদিহিতা। এটি সুশাসনের অন্যতম মৌলিক স্তম্ভ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় 'সুশাসন' (Good Governance)-এর ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

    সুশাসন হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা এবং সরকারের কার্যকারিতা নিশ্চিত হয়। উদ্দীপকে প্রফেসর গোলাম রাব্বানী 'ক' রাষ্ট্রে গিয়ে দেখেন যে, সেখানকার রাজনৈতিক ব্যবস্থায় জনগণের মতামত অত্যন্ত গুরুত্ব পায় এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।

    এই বৈশিষ্ট্যগুলো সুস্পষ্টভাবে সুশাসনের উপাদানকে নির্দেশ করে। সরকার যখন তার কাজের জন্য দায়বদ্ধ থাকে এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দেয়, তখন সেই ব্যবস্থায় সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে 'ক' রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সুশাসনের মূলনীতিসমূহের ওপরই সবিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, আমি উদ্দীপকে বর্ণিত বক্তব্যটির সাথে সম্পূর্ণ একমত। উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যবস্থাটি হলো 'সুশাসন', যা যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গতিশীল ও ত্বরান্বিত করে।

    সুশাসনের ফলে সরকারের সকল কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখে। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হওয়ায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ হয় এবং সম্পদ বণ্টনে সমতা বজায় থাকে। সুশাসন প্রতিষ্ঠিত থাকলে দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হয়, যা দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগের পথকে সুগম করে। বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

    এছাড়া, সুশাসনে জনগণের মতামতের প্রাধান্য থাকায় অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে জনকল্যাণ নিশ্চিত হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে গতিশীলতা আসে এবং জাতীয় প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। বিপরীতে, জবাবদিহিতাহীন শাসনব্যবস্থায় দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধি পেয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন মুখ থুবড়ে পড়ে।

    অতএব, উপযুক্ত বিশ্লেষণের আলোকে বলা যায় যে, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনমতের প্রাধান্যভিত্তিক সুশাসন ব্যবস্থা রাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে টেকসই ও ত্বরান্বিত করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন