উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২

উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন

জনাব নিলয় একটি আনারসের জুস তৈরির কারখানা স্থাপন করেন। কারখানার জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তিনি জাপান থেকে জুস তৈরির অত্যাধুনিক মেশিনআমদানি করেন। মেশিনের উৎপাদন ক্ষমতা অনুযায়ী তিনি ৪০০ জন কর্মচারী নিয়োগ করেন। ফলে তাঁর প্রতিষ্ঠানের সফলতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

  1. ক)

    মানসিক শ্রম কী?

    (1)
  2. খ)

    নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় সমবায় সমিতি গঠিত হয়( ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    জনাব নিলয় কারখানা স্থাপনে প্রাথমিক পর্যায়ে উৎপাদনের কোন উপকরণের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকে জনাব নিলয় ও তার কর্মচারী কর্তৃক প্রদত্ত শ্রম এক নয়” কর্মচারী কর্তৃক প্রদত্ত শ্রমের ধরন উল্লেখপূর্বক মতামত বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উৎপাদন কাজে নিয়োজিত মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক, চিন্তাশীল বা মানসিক প্রচেষ্টাকে মানসিক শ্রম বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় মধ্যস্বত্বভোগী ও ধনিক শ্রেণির শোষণ ও বৈষম্য থেকে নিজেদের রক্ষা করার তাগিদেই সমমনা ও স্বল্প আয়ের মানুষরা সমবায় সমিতি গঠন করে।

    এককভাবে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিরা নিজেদের স্বাবলম্বী করতে এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক কল্যাণ ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে 'একতাই বল' মূলমন্ত্রের ওপর ভিত্তি করে সমবায় সমিতি গড়ে তোলে। ফলে তারা বাজারে টিকে থাকে এবং অর্থনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জনাব নিলয় কারখানা স্থাপনে প্রাথমিক পর্যায়ে উৎপাদনের 'মূলধন' উপকরণের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।

    উৎপাদনের উপাদান হিসেবে মূলধন হলো মানুষের তৈরি এমন সম্পদ যা পুনরায় উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হয়; যেমন- যন্ত্রপাতি, কলকারখানা, অর্থ ইত্যাদি।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব নিলয় আনারসের জুস তৈরির কারখানা স্থাপনের প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জাপান থেকে জুস তৈরির অত্যাধুনিক মেশিন আমদানি করেছেন। এখানে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয় মূলধনেরই প্রত্যক্ষ রূপ। সুতরাং, তিনি প্রাথমিক পর্যায়ে মূলধনের ওপরই অধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব নিলয় ও তাঁর কর্মচারীদের প্রদত্ত শ্রম এক নয়—বক্তব্যটি যথার্থ। এখানে কর্মচারীদের প্রদত্ত শ্রম মূলত 'শারীরিক শ্রম'।

    উৎপাদন কাজে নিয়োজিত মানুষের শারীরিক কর্মপ্রচেষ্টাকে শারীরিক শ্রম বলে, যেখানে বুদ্ধি বা চিন্তার চেয়ে কায়িক শক্তি অধিক ব্যবহৃত হয়। পক্ষান্তরে, পরিকল্পনা প্রণয়ন, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তদারকি কাজে যুক্ত শ্রম হলো মানসিক শ্রম।

    উদ্দীপকে জনাব নিলয় হলেন উদ্যোক্তা। তিনি কারখানা স্থাপন, পুঁজি বিনিয়োগ, পরিকল্পনা গ্রহণ ও সার্বিক পরিচালনার সাথে জড়িত, যা মূলত মানসিক শ্রমের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, তিনি মেশিনের সাহায্যে জুস উৎপাদনের জন্য যে ৪০০ জন কর্মচারী নিয়োগ করেছেন, তাঁরা কারখানায় সরাসরি শারীরিক শক্তি ব্যয় করে উৎপাদন কার্যক্রম সম্পাদন করছেন। তাই কর্মচারীদের প্রদত্ত শ্রম হলো শারীরিক শ্রম।

    যেহেতু উদ্যোক্তা হিসেবে জনাব নিলয় মানসিক শ্রম প্রদান করছেন এবং কর্মচারীরা কায়িক বা শারীরিক শ্রম প্রদান করছেন, তাই তাঁদের প্রদত্ত শ্রমের ধরন ও প্রকৃতি ভিন্ন। অতএব, উদ্দীপকের উক্তিটি সম্পূর্ণরূপে যুক্তিযুক্ত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন