বাংলা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২
বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন
স্বাধীনতা স্পর্শমণি সবাই ভালোবাসে,
সুখের আলো জ্বলে বুকে দুঃখের ছায়া নাশে।
স্বাধীনতা সোনার কাঠি, খোদার সুধা দান
স্পর্শে তাহার নেচে ওঠে শূন্যদেহে প্রাণ।
মনুষ্যত্বের বান ডেকে যায়, পশুর হৃদয় তলে
বুক ফুলায়ে দাঁড়ায় ভীরু স্বাধীনতার বলে।
দর্প করে পদানত উচ্চ করি শির,
শক্তিহীনেও স্বাধীনতা আখ্যাদানে বীরে।
- ক)(1)
বুধা কোথায় গান শুনে ও শেখে?
- খ)(2)
ফজু মিয়া সন্ধ্যার আগে বাড়ি ফিরতে চান কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকের শেষ তিন পংক্তির সাথে 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
"উদ্দীপকটি 'কাকতাড়ুয়া উপন্যাসের মূল চেতনাকে স্পর্শ করেছে"-মন্তব্যটি যাচাই করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- গ)
উদ্দীপকের শেষ তিন পংক্তিতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার স্পর্শে ভীরু মানুষও বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায়, পদানত মানুষ মাথা উঁচু করে এবং শক্তিহীন মানুষও বীর নামে অভিহিত হয়।
'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের বুধা এমনই এক চরিত্র। সে সমাজের নিতান্ত অবহেলিত, দরিদ্র ও পরিবারহীন এক কিশোর। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সে ভয় জয় করে সাহসী যোদ্ধা হয়ে ওঠে। অর্থাৎ স্বাধীনতার চেতনা সাধারণ মানুষকে অসাধারণ করে তোলে—উদ্দীপক ও উপন্যাসের এটিই সাদৃশ্যপূর্ণ দিক।
- ঘ)
উদ্দীপকে স্বাধীনতার মহিমা ও তার প্রভাবে সাধারণ মানুষের বীরে রূপান্তরের কথা বলা হয়েছে। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের মূল চেতনাও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে সাধারণ মানুষের অদম্য সাহস ও দেশপ্রেম। তাই মন্তব্যটি যথার্থ বলা যায়।
১. উদ্দীপকে স্বাধীনতাকে 'সোনার কাঠি' বলা হয়েছে, যার স্পর্শে 'শূন্যদেহে প্রাণ' ফিরে আসে। উপন্যাসে বুধার জীবনেও স্বাধীনতার চেতনা তাকে নতুন প্রাণ ও লড়াইয়ের শক্তি দিয়েছে।
২. উদ্দীপকে ভীরু মানুষ স্বাধীনতার বলে বুক ফুলিয়ে দাঁড়ায়। বুধাও ভয়কে অতিক্রম করে শত্রুর মুখোমুখি হয়েছে।
৩. উদ্দীপকে শক্তিহীনও বীর হয়ে ওঠে; উপন্যাসে অসহায় বুধা মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের পরিচয় দিয়েছে।তবে উপন্যাসে যুদ্ধের নির্মমতা, ক্ষতি ও বুধার ব্যক্তিগত বেদনারও বিস্তৃত চিত্র আছে, উদ্দীপকে যা নেই। তবুও মূল চেতনার দিক থেকে উদ্দীপকটি উপন্যাসকে স্পর্শ করেছে। সুতরাং, মন্তব্যটি যথার্থ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও