ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২১
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
X, Y এবং Z তিন বন্ধু। তারা সমহারে লাভ-লোকসান করে ব্যবসায় আরম্ভ করল। তারা কিছু ক্রেতার নিকট বিক্রি করল। একজন ক্রেতা ৫০,০০০ টাকা বকেয়া পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানান। ব্যবসায়টি নিবন্ধিত ছিল।
- ক)(1)
সাধারণ অংশীদারি ব্যবসায়ে কতজন সদস্য থাকে?
- খ)(2)
অংশীদারি ব্যবসায়ে পৃথক আইনগত সত্তা থাকে না কেন?
- গ)(3)
X, Y এবং Z এর ব্যবসায়টির ভিত্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
পাওনা আদায়ে তারা কি আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবে? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন অনুযায়ী সাধারণ অংশীদারি ব্যবসায়ে সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ২০ জন সদস্য থাকে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অংশীদারি ব্যবসায় আইনের দ্বারা সৃষ্ট কোনো কৃত্রিম বা স্বাধীন সত্তা নয়। আইনগতভাবে অংশীদারি ব্যবসায় ও এর অংশীদারগণ অভিন্ন সত্তা হিসেবে গণ্য হন; কারবারের দেনা-পাওনা অংশীদারদের ব্যক্তিগত দেনা-পাওনা বলেই বিবেচিত হয়। তাই কারবারের নামে সরাসরি মামলা করা বা নিজ নামে স্বতন্ত্র অস্তিত্ব বজায় রাখা যায় না বলে এতে পৃথক আইনগত সত্তা থাকে না।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
X, Y এবং Z-এর ব্যবসায়টির মূল ভিত্তি হলো 'চুক্তি'।
১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী, চুক্তিই হলো অংশীদারি ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি। পারস্পরিক সমঝোতা ও চুক্তির ভিত্তিতেই অংশীদারদের মধ্যে সম্পর্ক ও মুনাফা বণ্টনের নিয়মাবলি নির্ধারিত হয়। চুক্তি ছাড়া কোনো অংশীদারি ব্যবসায় গড়ে উঠতে পারে না।
উদ্দীপকে দেখা যায়, X, Y এবং Z তিন বন্ধু মিলে একটি অংশীদারি ব্যবসায় শুরু করে এবং তাদের মধ্যে লাভ-লোকসান সমহারে বণ্টনের সমঝোতা বা চুক্তি রয়েছে। তারা যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ব্যবসা পরিচালনা করছে। সুতরাং, তাদের ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক চুক্তি বা চুক্তিবদ্ধ সম্পর্ক।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, পাওনা আদায়ে তারা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে।
১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৬৯ ধারা অনুযায়ী, কোনো অনিবন্ধিত অংশীদারি প্রতিষ্ঠান তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে ১০০ টাকার বেশি বকেয়া বা দাবি আদায়ের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে না। তবে ব্যবসায়টি যদি অংশীদারি আইনানুযায়ী নিবন্ধিত থাকে, তাহলে প্রতিষ্ঠানটি তার যেকোনো পাওনা অর্থ আদায়ের জন্য তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
উদ্দীপকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, X, Y ও Z-এর ব্যবসায়টি একটি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ছিল। একজন ক্রেতা তাদের ৫০,০০০ টাকা বকেয়া পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধিত, তাই ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের নিয়ম অনুযায়ী তারা এই ৫০,০০০ টাকা বকেয়া আদায়ের জন্য সংশ্লিষ্ট ক্রেতার বিরুদ্ধে উপযুক্ত আদালতে আইনি পদক্ষেপ বা মামলা দায়ের করতে পারবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও