যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তূর্য, তাথৈ ও অথৈ। ক্লাস বিরতির সময় কলেজ লাইব্রেরিতে বসে তূর্য বললো, আমাদের পাঠ্যবিষয়গুলোর মধ্যে একটি বিষয় আছে যেটি আমাদের অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার, ভাবাবেগ দূর করে সঠিক পথে চলতে সাহায্য করতে পারে। তাথৈ বললো, একদম সঠিক কথা। সেটি আমাদের বিভিন্ন বিষয়ের কর্ম পদ্ধতিরও সন্ধান দেয়। অথৈ বললো, শুধু তাই নয় বরং এ বিষয়টি বিজ্ঞানের সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

  1. ক)

    “Logos” শব্দের অর্থ কী?

    (1)
  2. খ)

    “যুক্তিবিদ্যা মনকে কুসংস্কার মুক্ত করে”- ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে তুর্যের বক্তব্যে নির্দেশিত বিষয় পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে তাথৈ ও অথৈর বক্তব্যের সাথে তুমি কি একমত? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গ্রিক ‘Logos’ (লগোস) শব্দের অর্থ চিন্তা বা ভাষা (বা শব্দ)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যা সত্য উদঘাটন ও মিথ্যাকে বর্জনের লক্ষ্য নিয়ে চিন্তার সঠিক নিয়মাবলি আলোচনা করে। এটি মানুষকে অন্ধবিশ্বাস, আবেগ বা প্রচলিত ধারণার ওপর নির্ভর না করে যুক্তিগ্রাহ্য ও প্রমাণভিত্তিক চিন্তা করতে শেখায়। সঠিক যুক্তিপদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে ভ্রান্ত ধারণা ও অহেতুক সংস্কার দূরীভূত হয়, ফলে যুক্তিবিদ্যা মানুষের মনকে কুসংস্কারমুক্ত করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে তূর্যের বক্তব্যে নির্দেশিত বিষয়টি হলো যুক্তিবিদ্যা।
    যুক্তিবিদ্যা হলো এমন একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান ও কলা, যা বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তির পার্থক্য নির্ধারণ করে এবং সঠিক যুক্তিপদ্ধতির নিয়ম প্রণয়ন করে। মানুষ যখন যুক্তিবিদ্যার নিয়ম মেনে চিন্তা করে, তখন অন্ধবিশ্বাস, অলীক কল্পনা এবং কুসংস্কার দূর হয়। যুক্তিবিদ্যার মূল লক্ষ্য হলো সত্যের অনুসন্ধান। এটি মানসিক পক্ষপাতহীন, বস্তুনিষ্ঠ ও সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলে। সুতরাং, তূর্যের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার এই প্রায়োগিক ও সংস্কারমুক্তকারী দিকটিরই প্রতিফলন ঘটেছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে তাথৈ ও অথৈর বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।
    তাথৈ বলেছে যুক্তিবিদ্যা বিভিন্ন বিষয়ের কর্মপদ্ধতির সন্ধান দেয়। এটি যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক বা ফলিত দিককে নির্দেশ করে। যুক্তিবিদ্যা কেবল তত্ত্বীয় বিজ্ঞান নয়, এটি একটি কলাও বটে। এটি সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি কীভাবে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে হয় তা শেখায় এবং জ্ঞান অর্জনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি (যেমন—আরোহ ও অবরোহ পদ্ধতি) নির্দেশ করে।
    অন্যদিকে, অথৈ বলেছে যুক্তিবিদ্যা বিজ্ঞানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সব বিজ্ঞানেরই চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সত্য আবিষ্কার করা, আর সত্যের অনুসন্ধানে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও অনুমানের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। যুক্তিবিদ্যা সকল বিজ্ঞানের সাধারণ নিয়মাবলি সরবরাহ করে বলেই একে 'বিজ্ঞানের বিজ্ঞান' (Science of Sciences) বলা হয়। প্রাকৃতিক ও সামাজিক বিজ্ঞানের সিদ্ধান্ত বৈধ করতে যুক্তিবিদ্যার নিয়ম অপরিহার্য।
    অতএব, যুক্তিবিদ্যা কর্মপদ্ধতির দিকনির্দেশক এবং বিজ্ঞানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে বিধায় তাথৈ ও অথৈর বক্তব্য যথার্থ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন