যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৭

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

জনাব আব্দুল বাতেন একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা। তার সততা, দক্ষতা ও মানবিক আচরণে সংশ্লিষ্ট সকলেই মুগ্ধ। তিনি বলেন, “জ্ঞানের একটি বিশেষ শাখার অধ্যয়ন হতেই আমি নিজেকে এভাবে গড়ে তুলতে পেরেছি।” তার দপ্তরের কাজের পরিবেশ ও নান্দনিক মূল্য প্রশংসার দাবী রাখে। দপ্তরের এ পরিবেশ ও সৌন্দর্য আনার জন্য তিনি দর্শনের একটি শাখার লব্ধ জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ ঘটান।

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যার জনক কে?

    (1)
  2. খ)

    নীতিবিদ্যা বলতে কী বুঝ?

    (2)
  3. গ)

    জনাব বাতেন তার দপ্তরের পরিবেশ উন্নয়নে দর্শনের কোন শাখার সাহায্য নেন? তোমার পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে জনাব বাতেনের বক্তব্যে যে বিশেষ শাখার উল্লেখ করেছেন, বাস্তব জীবনে তার গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল হলেন যুক্তিবিদ্যার জনক।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নীতিবিদ্যা (Ethics) হলো দর্শনের একটি আদর্শনিষ্ঠ ব্যবহারিক শাখা, যা সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের ভালোত্ব বা মন্দত্ব, উচিত বা অনুচিত এবং সততা নিয়ে বিচার ও আলোচনা করে। এটি মানুষের আচরণকে নৈতিক আদর্শের নিরিখে মূল্যায়ন করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জনাব বাতেন তার দপ্তরের পরিবেশ উন্নয়নে দর্শনের যে শাখার সাহায্য নেন, তা হলো 'নন্দনতত্ত্ব' বা 'সৌন্দর্যবিদ্যা' (Aesthetics)।

    নন্দনতত্ত্ব দর্শনের একটি অন্যতম প্রধান আদর্শনিষ্ঠ শাখা, যা সৌন্দর্য ও শিল্পের স্বরূপ, মানদণ্ড এবং এর অনুভূতি নিয়ে আলোচনা করে। মানবজীবনের নান্দনিক দিক এবং পরিবেশকে কীভাবে সুষম, মার্জিত ও দৃষ্টিনন্দন করা যায়, তা নন্দনতত্ত্বের আওতাভুক্ত।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, জনাব আব্দুল বাতেনের দপ্তরের কাজের পরিবেশ ও নান্দনিক মূল্য অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি এই পরিবেশ ও সৌন্দর্য সৃষ্টির জন্য দর্শনের নন্দনতত্ত্ব শাখার লব্ধ জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। সুতরাং, তাঁর দপ্তরের পরিবেশ উন্নয়নের পেছনে কার্যকর শাখাটি হলো নন্দনতত্ত্ব।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জনাব বাতেন তাঁর সততা, দক্ষতা ও মানবিক আচরণের পেছনে যে বিশেষ শাখাটির অবদান উল্লেখ করেছেন, তা হলো নীতিবিদ্যা (Ethics) এবং যুক্তিবিদ্যা/দর্শন। তবে মানবিক ও সততার প্রসঙ্গে এটি বিশেষভাবে নীতিবিদ্যাকে নির্দেশ করে।

    বাস্তব জীবনে নীতিবিদ্যার গুরুত্ব অপরিসীম। নীতিবিদ্যা মানুষকে ন্যায়-অন্যায়, সততা এবং কর্তব্যবোধে উজ্জীবিত করে। এটি মানুষের চরিত্র গঠনে সাহায্য করে এবং সমাজে সুশাসন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জনাব বাতেন নীতিবিদ্যার আদর্শ অনুসরণ করেই সৎ ও মানবিক হতে পেরেছেন।

    পাশাপাশি, যুক্তিবিদ্যা মানুষকে সঠিক চিন্তাপদ্ধতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে যৌক্তিক হতে শেখায়। বাস্তব জীবনে পেশাগত ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, সততা এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চা ব্যক্তি ও সমাজ উভয়কেই উন্নত করে। অতএব, বাস্তব জীবনে সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে দর্শনের এই শাখাটির অনুশীলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন