‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২১

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

রাকিব পেশায় একজন ট্রাক ড্রাইভার। পণ্য পরিবহনের উদ্দেশ্যে সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে। হঠাৎ চেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘন ঘন জ্বর, মাথা ব্যথা প্রভৃতি লক্ষণ তার শরীরে দেখা যায়। সে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন যে, রাকিব ভাইরাসজনিত একটি রোগে আক্রান্ত।

  1. ক)

    অটিজম কী?

    (1)
  2. খ)

    খাদ্য ভেজালের দুটি কারণ লেখ।

    (2)
  3. গ)

    রাকিব যে রোগে আক্রান্ত তার নাম উল্লেখপূর্বক লক্ষণগুলো ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত রোগ প্রতিরোধ করার জন্য কী কী ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায় বলে তুমি মনে কর? বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    অটিজম হলো শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশজনিত একটি সমস্যা, যার ফলে তার সামাজিক যোগাযোগ ও আচরণে অস্বাভাবিকতা প্রকাশ পায়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণের দুটি প্রধান কারণ হলো:
    ১. অতিরিক্ত ও অনৈতিক মুনাফা লাভের লোভ।
    ২. ভোক্তা অধিকার বিষয়ক আইন ও শাস্তির যথাযথ প্রয়োগের অভাব।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের তথ্য ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী রাকিব সম্ভবত 'এইচআইভি/এইডস' (HIV/AIDS) রোগে আক্রান্ত।
    রাকিব পেশায় একজন ট্রাক ড্রাইভার এবং কর্মসূত্রে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের মুখোমুখি হতে পারে। চিকিৎসকের মতে এটি ভাইরাসজনিত (HIV)।
    এই রোগের প্রধান লক্ষণগুলো নিম্নরূপ:
    ১. ঘন ঘন বা দীর্ঘস্থায়ী জ্বর এবং প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও ক্লান্তি।
    ২. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাওয়া।
    ৩. দেহের ওজন দ্রুত হ্রাস পাওয়া এবং অতিরিক্ত রাতে ঘাম হওয়া।
    ৪. দীর্ঘদিন ধরে শুকনো কাশি, দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া এবং লসিকা গ্রন্থি (Lymph node) ফুলে যাওয়া।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:
    ১. নিরাপদ ও নৈতিক জীবনযাপন: ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন মেনে চলা এবং অনৈতিক ও ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা।
    ২. রক্ত পরিসঞ্চালনে সতর্কতা: শরীরে রক্ত গ্রহণের পূর্বে তা এইচআইভি মুক্ত কি না তা সঠিকভাবে পরীক্ষা করা।
    ৩. নিরাপদ সূচ ও সিরিঞ্জ ব্যবহার: ইনজেকশন বা চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রতিবার নতুন ও জীবাণুমুক্ত ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করা।
    ৪. ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি: ট্রাক ড্রাইভারসহ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই রোগের কারণ, বিস্তার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা।
    ৫. মায়ের স্বাস্থ্যসেবা: আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের ক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া যাতে গর্ভস্থ বা নবজাতক শিশুর মধ্যে ভাইরাস সংক্রামিত না হয়।
    উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো সম্মিলিতভাবে গ্রহণ করলেই এইচআইভি/এইডস-এর মতো প্রাণঘাতী রোগের বিস্তার সফলভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন