ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

সোহেল এমবিএ পাস করার পর তার ৫ বন্ধুকে নিয়ে "রাজশাহী টেক্সটাইল" নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। প্রথম অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটি মোট মূলধনের পরিমান ছিল ১০ কোটি টাকা। তাদের সঠিক পরিচালনার ফলে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুতই সফলতা লাভ করে। সোহেল ও তার বন্ধুরা প্রতিষ্ঠানটির সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেন। তারা নিজেরা প্রতিষ্ঠানে আর অর্থ দিতে পারবে না এবং সদস্য সংখ্যা বাড়াতে চান না। এমতাবস্থায় তাদের মূলধনেরও প্রয়োজন।

  1. ক)

    শেয়ার কি?

    (1)
  2. খ)

    যোগ্যতা সূচক শেয়ার কেন ক্রয় করতে হয়? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    "রাজশাহী টেক্সটাইল" কোন ধরনের কোম্পানি? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোম্পানির অনুমোদিত মোট মূলধনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমান অংশকে শেয়ার বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার জন্য কোম্পানিটির পরিমেল নিয়মাবলী অনুযায়ী একজন ব্যক্তিকে ন্যূনতম যে পরিমাণ শেয়ার ক্রয় করতে হয়, তাকে যোগ্যতা সূচক শেয়ার বলে। পরিচালকদের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে এবং কোম্পানির স্বার্থের সাথে পরিচালকদের আর্থিক স্বার্থ যুক্ত রাখতে এই শেয়ার ক্রয় করা বাধ্যতামূলক।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "রাজশাহী টেক্সটাইল" প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।

    যে কোম্পানির সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ২ জন এবং সর্বোচ্চ ৫০ জনে সীমাবদ্ধ থাকে এবং যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় ও জনগণের নিকট শেয়ার বিক্রির আহ্বান জানানো যায় না, তাকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে।

    উদ্দীপকে সোহেল ও তার ৫ বন্ধু মিলে অর্থাৎ মোট ৬ জন সদস্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। তারা নিজেরা আর অর্থ দিতে পারছেন না এবং সদস্য সংখ্যাও বাড়াতে চান না। যেহেতু প্রতিষ্ঠানটির সদস্য সংখ্যা ৬ জন (যা ৫০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ) এবং তারা বাইরে শেয়ার বিক্রি করে সদস্য সংখ্যা বাড়াতে আগ্রহী নন, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি সদস্য সংখ্যা না বাড়িয়ে এবং নিজেরা অতিরিক্ত মূলধন বিনিয়োগ না করে 'ঋণ মূলধন' (Debt Capital) সংগ্রহের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থসংস্থান করতে পারে।

    প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ জনগণের কাছে শেয়ার বিক্রি করতে পারে না এবং মালিকরাও নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে চান না। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির সামনে প্রধান বিকল্প হলো বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক উৎস থেকে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণ করা।

    প্রতিষ্ঠানটি নিম্নোক্ত উপায়ে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে:
    ১. বাণিজ্যিক ব্যাংক বা বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (যেমন- শিল্প ব্যাংক বা আইডিএলসি ইত্যাদি) থেকে দীর্ঘমেয়াদি বা মধ্যমেয়াদি ঋণ গ্রহণ করা।
    ২. বিদ্যমান সম্পদের বিপরীতে জামানতযুক্ত বন্ধকি ঋণ নেওয়া।
    ৩. সরকার প্রদত্ত এসএমই (SME) বা শিল্প প্রণোদনা তহবিল থেকে স্বল্প সুদে অর্থায়ন গ্রহণ করা।
    ৪. টেক্সটাইল খাতের জন্য প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে লিজিং বা ইজারা অর্থায়নের সুবিধা গ্রহণ করা, যাতে সরাসরি মূলধনী খরচের চাপ কমে।

    যেহেতু প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর ভালো আর্থিক সুনাম রয়েছে, তাই ঋণদাতারা সহজে ঋণ প্রদানে আগ্রহী হবে। সুতরাং, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংক ঋণ ও ইজারা অর্থায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সদস্য সংখ্যা না বাড়িয়েই তাদের সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ করতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন