বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্ন
- ক)(1)
সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন কী?
- খ)(2)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'নাইট' উপাধি বর্জন করেন কেন?
- গ)(3)
তথ্য-২ যে বিষয়কে নির্দেশ করছে তার মূল কারণ ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তথ্য-১ যে আন্দোলনের সাথে জড়িত তার ফলাফল সুদূরপ্রসারী।"- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন হলো ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটাতে অস্ত্র ও সহিংস পথে বিপ্লবী সংগঠনের মাধ্যমে পরিচালিত আন্দোলন।
- খ)
১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগে ব্রিটিশ সেনারা নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করে। এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া ‘নাইট’ উপাধি বর্জন করেন।
- গ)
তথ্যছক-২-এ উল্লিখিত ১৯০৩, ১৯০৪ ও ১৯০৫ সাল বঙ্গভঙ্গ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। এর মূল কারণ হলো ব্রিটিশ সরকারের ‘বিভাজন ও শাসন’ নীতি।
১. বিভেদ সৃষ্টি: বাংলার হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে ধর্মীয় বিভেদ তৈরি করে ঐক্য ভেঙে দেওয়া।
২. জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দুর্বল করা: বাংলায় ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সচেতনতা ও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে খর্ব করা।
৩. প্রশাসনিক অজুহাত: সরকার প্রশাসনিক সুবিধার কথা বললেও আসল উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক। - ঘ)
তথ্যছক-১-এ দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ, নানা সাহেব, ঝাঁসির রানি লক্ষ্মীবাঈ ও বেগম হযরত মহলের নাম থাকায় এটি ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহকে নির্দেশ করে। এর ফল ছিল সুদূরপ্রসারী।
১. কোম্পানি শাসনের অবসান: ১৮৫৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শেষ হয় এবং শাসনভার ব্রিটিশ রানির হাতে যায়।
২. মুঘল সাম্রাজ্যের পতন: বাহাদুর শাহকে নির্বাসনে পাঠানো হয় এবং মুঘল শাসনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
৩. রানির ঘোষণাপত্র ও নীতিগত পরিবর্তন: ১৮৫৮ সালের ঘোষণাপত্রে ধর্মীয় সহনশীলতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় এবং সেনাবাহিনী ও প্রশাসন পুনর্গঠিত হয়।
৪. জাতীয়তাবোধ: পরবর্তী স্বাধীনতা আন্দোলনে এটি প্রেরণা জোগায়।সুতরাং, সিপাহি বিদ্রোহের ফলাফল সুদূরপ্রসারী ছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও