ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৬

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

মি. কবীর এন্ড সন্স এর পরিচালক আমেরিকায় হেড অফিস খুলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যবসা করেন। প্রতিটি দেশে তার প্রতিনিধি রয়েছে। সব সময়ই কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রতিনিধিদের সাথে বার্তার আদান-প্রদান ঘটে। ব্যবসায়ের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা ও করণীয় নির্দেশনার জন্য মাঝে মধ্যে ইলেকট্রনিক কৌশল ব্যবহার করে আলোচনা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করে। দূরে বসেও মনে হয় সবাই এক জায়গায় বসে আলোচনা করছে। এ ধরনের আলোচনা তার ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

  1. ক)

    ক্ষুদে বার্তা কী?

    (1)
  2. খ)

    ফলাবর্তন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে মি. কবীর এন্ড সন্স এর পরিচালক কীভাবে বার্তা আদান-প্রদান করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যেভাবে আলোচনা অনুষ্ঠানের কথা বলা হয়েছে উদ্দীপকের আলোকে যথার্থ মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মুঠোফোন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে সংক্ষেপে লিখিত বার্তা প্রেরণ করার পদ্ধতিকে ক্ষুদে বার্তা (SMS) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যোগাযোগ প্রক্রিয়ায় প্রেরকের প্রেরিত সংবাদের বিপরীতে প্রাপকের দেওয়া প্রতিক্রিয়া বা উত্তরকে ফলাবর্তন (Feedback) বলে।
    ফলাবর্তনের মাধ্যমেই যোগাযোগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়। এর মাধ্যমে প্রেরক নিশ্চিত হতে পারেন যে প্রাপক বার্তাটি সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছেন কি না। কার্যকর যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফলাবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মি. কবীর এন্ড সন্স এর পরিচালক আধুনিক ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে 'ই-মেইল' বা 'কম্পিউটার নেটওয়ার্কভিত্তিক তথ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা' ব্যবহার করে বার্তা আদান-প্রদান করেন।

    কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে দ্রুত তথ্য, ফাইল ও বার্তা লিখিত বা ডিজিটাল আকারে প্রেরণ করা যায়। এটি সময় ও ভৌগোলিক দূরত্বের বাধাকে দূর করে যোগাযোগকে অত্যন্ত দ্রুত ও সহজ করে তোলে।

    উদ্দীপকে উল্লেখ আছে, পরিচালক আমেরিকায় প্রধান কার্যালয় রেখে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সাথে সার্বক্ষণিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বার্তার আদান-প্রদান নিশ্চিত করেন। অতএব, তিনি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ইলেকট্রনিক মেইলিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করে থাকেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় উদ্দীপকে ইলেকট্রনিক কৌশল হিসেবে মূলত 'ভিডিও কনফারেন্সিং' (Video Conferencing)-এর কথা বলা হয়েছে, যা বর্তমান বিশ্বে অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ।

    ভিডিও কনফারেন্সিং হলো এমন একটি আধুনিক টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি যার সাহায্যে ভৌগোলিকভাবে দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করেও ব্যক্তিরা ইন্টারনেট ও ভিডিও মনিটরের মাধ্যমে মুখোমুখি বসে আলোচনা বা সভা পরিচালনা করতে পারেন।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, পরিচালক ইলেকট্রনিক কৌশল ব্যবহার করে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রতিনিধিদের সাথে এমনভাবে আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করেন, যাতে দূরে বসেও মনে হয় সবাই একই জায়গায় বা কক্ষে বসে আলোচনা করছেন। এটি নিখুঁতভাবে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যকে তুলে ধরে।

    বৃহদায়তন ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের এক জায়গায় এনে সভা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, দিকনির্দেশনা প্রদান, সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা এবং ভ্রমণের বিপুল সময় ও অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব হয়। ফলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম গতিশীল হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক দক্ষতা বাড়ে। অতএব, উদ্দীপকে আলোচিত আধুনিক ইলেকট্রনিক আলোচনা অনুষ্ঠান (ভিডিও কনফারেন্সিং) আধুনিক বৃহদায়তন ব্যবসায় পরিচালনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও যথার্থ একটি কৌশল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন