অর্থনীতি ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২১
অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন
'ক' দ্রব্যের চাহিদা ও যোগান সূচি নিম্নরূপ:
দাম (টাকা) | চাহিদার পরিমাণ (একক) | যোগানের পরিমাণ (একক)
২০ | ৯ | ৩
৪০ | ৬ | ৬
৬০ | ৩ | ৯
- ক)(1)
চাহিদা কী?
- খ)(2)
চাহিদা রেখা কখন ঊর্ধ্বগামী হয়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের আলোকে চিত্রের সাহায্যে ভারসাম্য দেখাও।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে প্রতিটি দামে যোগানের পরিমাণ স্থির থেকে চাহিদার পরিমাণ যথাক্রমে ১০, ৭ ও ৪ একক হলে ভারসাম্যের ওপর প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট সময়ে ক্রেতার একটি নির্দিষ্ট দামে কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা, ক্রয়ের সামর্থ্য এবং অর্থ ব্যয় করার ইচ্ছা থাকলে তাকে অর্থনীতিতে চাহিদা বলা হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সাধারণত চাহিদা রেখা বাম থেকে ডানে নিম্নগামী হয়, তবে চাহিদা বিধির ব্যতিক্রম ঘটলে চাহিদা রেখা ঊর্ধ্বগামী হয়। যেমন:
১. গিফেন দ্রব্যের ক্ষেত্রে দাম বাড়লে চাহিদা বাড়ে এবং দাম কমলে চাহিদা কমে।
২. ভেবলেন দ্রব্য বা প্রদর্শনমূলক দ্রব্যের ক্ষেত্রে আভিজাত্য প্রকাশের জন্য বেশি দামে চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
৩. ভবিষ্যতে দাম আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিলে বর্তমান চড়া দামেও চাহিদা বৃদ্ধি পায়।
এসব ক্ষেত্রে দাম ও চাহিদার মধ্যে সম্মুখী বা ধনাত্মক সম্পর্ক তৈরি হওয়ায় চাহিদা রেখা বাম থেকে ডানে ঊর্ধ্বগামী হয়। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রদত্ত সূচিতে দেখা যায়:
দাম যখন ২০ টাকা, চাহিদা ৯ একক এবং যোগান ৩ একক (চাহিদা > যোগান)।
দাম যখন ৬০ টাকা, চাহিদা ৩ একক এবং যোগান ৯ একক (যোগান > চাহিদা)।
কিন্তু দাম যখন ৪০ টাকা, তখন চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ উভয়ই সমান এবং তা হলো ৬ একক। সুতরাং ভারসাম্য দাম হলো ৪০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ হলো ৬ একক।চিত্র অঙ্কন ও ব্যাখ্যা:
একটি চিত্রে ভূমি অক্ষে (OX) চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে (OY) দ্রব্যের দাম নির্দেশ করা হলো।- DD চাহিদা রেখা নিম্নগামী এবং SS যোগান রেখা ঊর্ধ্বগামী।
- রেখা দুটি পরস্পর E বিন্দুতে ছেদ করে।
- E বিন্দুতে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে ভারসাম্য দাম OP = ৪০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ OQ = ৬ একক।
৪০ টাকার নিচে চাহিদা বেশি থাকায় দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা দেয় এবং ৪০ টাকার উপরে যোগান বেশি থাকায় দাম কমার প্রবণতা দেখা দেয়। ফলে শেষ পর্যন্ত ৪০ টাকা দামেই বাজার ভারসাম্যে পৌঁছায়।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রতিটি দামে যোগানের পরিমাণ অপরিবর্তিত থেকে চাহিদার পরিমাণ পরিবর্তিত হয়ে যথাক্রমে ১০, ৭ ও ৪ একক হলে নতুন চাহিদা ও যোগান পরিস্থিতি দাঁড়ায়:
দাম (টাকা) | নতুন চাহিদা (একক) | যোগান (একক)
২০ | ১০ | ৩
৪০ | ৭ | ৬
৬০ | ৪ | ৯পূর্বের ভারসাম্য বিন্দু ছিল E, যেখানে দাম ছিল ৪০ টাকা এবং পরিমাণ ছিল ৬ একক। নতুন পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে:
১. দাম ২০ টাকা হলে নতুন চাহিদা ১০ একক এবং যোগান ৩ একক (ঘাটতি = ৭ একক)।
২. দাম ৪০ টাকা হলে নতুন চাহিদা ৭ একক এবং যোগান ৬ একক (চাহিদা যোগানের চেয়ে ১ একক বেশি)। ফলে বাজারে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে দামের ওপর ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হবে।
৩. দাম ৬০ টাকা হলে নতুন চাহিদা ৪ একক এবং যোগান ৯ একক (উদ্বৃত্ত = ৫ একক)।প্রভাব বিশ্লেষণ:
যোগান স্থির থেকে চাহিদা বৃদ্ধির ফলে সম্পূর্ণ চাহিদা রেখাটি ডানদিকে স্থানান্তরিত হবে। নতুন চাহিদা রেখা ও পূর্বের যোগান রেখার ছেদবিন্দু ৪০ টাকা দামের উপরে এবং ৬ এককের বেশি পরিমাণে প্রতিষ্ঠিত হবে।
গাণিতিক সমীকরণ থেকে দেখা যায়, যোগান অপেক্ষক Qs = -3 + 0.15P এবং নতুন চাহিদা অপেক্ষক Qd = 13 - 0.15P। এগুলো সমান ধরলে নতুন ভারসাম্য দাম হবে P = ৪৩.৩৩ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ হবে ৩.৫ একক যোগানের ওপর ভিত্তি করে প্রায় ৩.৫ একক নয়, বরং Q = -3 + 0.15(43.33) = ৩.৫ এর পরিবর্তে প্রায় ৩.৫ একক নয়, নতুন ভারসাম্য দাম বৃদ্ধি পেয়ে ৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৩.৩৩ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ৬ একক থেকে ৩.৫ নয়, সমীকরণ ছাড়াই স্পষ্টত: চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বাজারে দ্রব্যের ভারসাম্য দাম এবং ভারসাম্য পরিমাণ উভয়ই পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পাবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও