যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১: যুক্তিবিদ্যা অনুমানের নিয়মগুলো নিয়ে আলোচনা করে এবং এগুলোর সাহায্যে বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তির পার্থক্য নির্ণয়ের জন্য কিছু নিয়ম নির্ধারণ করে।দৃশ্যকল্প-২: যুক্তিবিদ্যা যুক্তি বিন্যাসের নিয়মাবলিকে আমাদের বাস্তব চিন্তাক্ষেত্রে প্রয়োগ করে কীভাবে সত্যকে অর্জন করা যায় সে সম্বন্ধে জ্ঞান দান করে।

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যার জনক কে?

    (1)
  2. খ)

    আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-২ এ যুক্তিবিদ্যার কোন স্বরূপটি প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-১ এবং দৃশ্যকল্প-২ সমন্বয় করে যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যার জনক হলেন গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে বিজ্ঞান কোনো একটি নির্দিষ্ট আদর্শকে সামনে রেখে বিষয়বস্তুর মূল্যায়ন বা বিচার করে, তাকে আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান (Normative Science) বলে। যেমন—যুক্তিবিদ্যা সত্যের আদর্শকে সামনে রেখে বৈধ ও অবৈধ যুক্তির পার্থক্য বিচার করে এবং নীতিবিদ্যা ন্যায়ের আদর্শকে সামনে রেখে মানুষের আচরণের ভালো-মন্দ বিচার করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-২ এ যুক্তিবিদ্যার 'কলা' বা প্রায়োগিক স্বরূপটি প্রকাশিত হয়েছে।

    যে শাস্ত্র কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য নিয়মনীতিকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের কৌশল শিক্ষা দেয়, তাকে কলা (Art) বলে। দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লেখ রয়েছে যে, যুক্তিবিদ্যা যুক্তি বিন্যাসের নিয়মাবলিকে বাস্তব চিন্তাক্ষেত্রে প্রয়োগের মাধ্যমে সত্য অর্জনের উপায় নির্দেশ করে। যুক্তিবিদ্যা কেবল নিয়মাবলি তাত্ত্বিকভাবে উপস্থাপন করে ক্ষান্ত থাকে না, বরং সত্য অর্জনের লক্ষ্যে মানুষের বাস্তব চিন্তা ও যুক্তির ক্ষেত্রে সেসব নিয়মের সার্থক ও সফল প্রয়োগের কৌশল শেখায়। সুতরাং, বাস্তব ক্ষেত্রে নিয়মাবলির প্রায়োগিক দিক নির্দেশ করার কারণে দৃশ্যকল্প-২ এ যুক্তিবিদ্যার ব্যবহারিক বা কলা রূপটি সুস্পষ্ট হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ এবং দৃশ্যকল্প-২ এর সমন্বয়ে যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান ও কলা—উভয় স্বরূপই সুন্দরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। যুক্তিবিদ্যা মূলত একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান এবং একই সাথে এটি একটি ব্যবহারিক কলা।

    দৃশ্যকল্প-১ এ যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান রূপটি প্রকাশ পেয়েছে। বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা অনুমানের নিয়মাবলি প্রণয়ন করে এবং এদের ভিত্তিতে বৈধ যুক্তি ও অবৈধ যুক্তির সুনির্দিষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করে সত্যের আদর্শকে অনুসরণ করে। বিজ্ঞানের কাজ হলো কোনো বিষয়ের সুশৃঙ্খল ও তাত্ত্বিক জ্ঞান দেওয়া, যা দৃশ্যকল্প-১ এর বক্তব্যে স্পষ্ট।

    অপরদিকে, দৃশ্যকল্প-২ এ যুক্তিবিদ্যার কলা রূপটি প্রতিফলিত হয়েছে। কলাবিদ্যা তাত্ত্বিক নিয়মাবলিকে বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের নিয়ম ও কৌশল শিক্ষা দেয়। যুক্তিবিদ্যাও বাস্তব চিন্তায় যুক্তির নিয়মাবলির সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়ে সত্যতা অর্জন এবং ভ্রান্তি পরিহারের উপায় নির্দেশ করে।

    যুক্তিবিদ যোসেফ, কার্ভেথ রিড ও মিলের মতে যুক্তিবিদ্যা একই সাথে বিজ্ঞান ও কলা। দৃশ্যকল্প-১ যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক ভিত্তি বা বিজ্ঞানসম্মত দিক তুলে ধরে এবং দৃশ্যকল্প-২ বাস্তব জীবনে এর প্রয়োগপদ্ধতি বা কলাসম্মত দিকটি তুলে ধরে। পরিশেষে বলা যায়, দৃশ্যকল্প দুটির সমন্বয়ে প্রমাণিত হয় যে যুক্তিবিদ্যা কেবল একটি তাত্ত্বিক বিজ্ঞান নয়, বরং এটি একটি কার্যকর কলাও বটে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন