রসায়ন ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮
রসায়ন ১ম পত্র প্রশ্ন
X(NaOH);Y(NH4OH);Z(NaCl) \mathrm{X}(\mathrm{NaOH}) ; \mathrm{Y}\left(\mathrm{NH}_{4} \mathrm{OH}\right) ; \mathrm{Z}(\mathrm{NaCl})
- ক)(1)
4-ডিজিট ব্যালেন্স কী?
- খ)(2)
পাউলির বর্জন নীতি ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
খাদ্য কৌটাজাতকরণে Z এর ভূমিকা ব্যাখ্যা করো ।
- ঘ)(4)
গ্লাস ক্লিনার তৈরিতে উদ্দীপকের কোন যৌগটি উপযুক্ত? বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে ডিজিটাল ব্যালেন্সের সাহায্যে দশমিকের পর চার ঘর পর্যন্ত (অর্থাৎ ০.০০০১ গ্রাম পর্যন্ত) সূক্ষ্মভাবে ভর পরিমাপ করা যায়, তাকে 4-ডিজিট ব্যালেন্স বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই পরমাণুতে যেকোনো দুটি ইলেকট্রনের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার মান কখনোই এক বা সমান হতে পারে না।
যদি দুটি ইলেকট্রনের প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (n), সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা (l) এবং চৌম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা (m) একই হয়, তবুও তাদের স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা (s) অবশ্যই ভিন্ন হবে; অর্থাৎ একটির ঘূর্ণন ঘড়ির কাঁটার দিকে (+½) হলে অন্যটির ঘূর্ণন ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে (-½) হবে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত Z যৌগটি হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), যা খাদ্য সংরক্ষণে খাদ্য লবণ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
খাদ্য কৌটাজাতকরণে NaCl এর প্রধান ভূমিকাগুলো হলো:
১. অভিস্রবণ প্রক্রিয়া: উচ্চ ঘনমাত্রার লবণের দ্রবণ (ব্রাইন) ব্যবহার করলে তা অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যের অভ্যন্তরীণ আর্দ্রতা এবং ব্যাকটেরিয়ার দেহ থেকে পানি টেনে বের করে নেয় (বহিঃঅভিস্রবণ বা প্লাজমোলাইসিস ঘটে)।
২. ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ: ব্যাকটেরিয়ার কোষ পানিশূন্য হয়ে শুকিয়ে যায়, যার ফলে খাদ্য বিনষ্টকারী অণুজীব ও ব্যাকটেরিয়ার বিপাকীয় ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় এবং তাদের বিস্তার রোধ হয়।
৩. স্বাদ ও গুণাগুণ বজায় রাখা: NaCl খাদ্যের স্বাভাবিক স্বাদ, পুষ্টিমান এবং টেক্সচার অক্ষুণ্ণ রাখতে সহায়তা করে।
সুতরাং, উপযুক্ত ব্রাইন দ্রবণ হিসেবে Z (NaCl) খাদ্য কৌটাজাতকরণে খাদ্যকে পচন থেকে রক্ষা করে দীর্ঘকাল সংরক্ষণযোগ্য রাখে। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রদত্ত যৌগগুলো হলো তীব্র ক্ষার X (NaOH), মৃদু ক্ষার Y (NH₄OH) এবং লবণ Z (NaCl)। এদের মধ্যে গ্লাস ক্লিনার তৈরিতে Y (NH₄OH) যৌগটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বিশ্লেষণ:
১. তেলের দাগ দ্রবীভূতকরণ: কাচের পৃষ্ঠে মূলত তেল, চর্বি, গ্রিজ বা বায়ুমণ্ডলীয় ধূলিকণা জমে ময়লা হয়। NH₄OH ক্ষারীয় প্রকৃতির হওয়ায় এটি তেল বা গ্রিজের সাথে বিক্রিয়া করে সাবানায়ন ঘটায় এবং দাগ দূর করে।
২. কাচের ক্ষতি না করা: তীব্র ক্ষার NaOH কাচের উপাদান সিলিকা বা সিলিকেটের সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম সিলিকেট গঠন করে কাচের উজ্জ্বলতা নষ্ট করে দেয় ও কাচকে ক্ষয় করে (কাচ ঘোলা হয়ে যায়)। অন্যদিকে, NH₄OH একটি মৃদু ক্ষার হওয়ায় এটি কাচের সাথে কোনো ক্ষতিকর বিক্রিয়া করে না।
৩. বাষ্পীভবন গুণাগুণ: NH₄OH দ্রবণে উপস্থিত অতিরিক্ত অ্যামোনিয়া সহজে কাচ পরিষ্কারের পর উবে বা বাষ্পীভূত হয়ে যায়, ফলে কাচের ওপর কোনো দাগ বা আস্তরণ অবশিষ্ট থাকে না।
৪. লবণ ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা: Z (NaCl) কোনো তেল-চর্বি দ্রবীভূত করতে পারে না এবং এটি ব্যবহারের পর শুকালে কাচে লবণের সাদা দাগ সৃষ্টি করে।অতএব, কার্যকারিতা ও কাচের সুরক্ষার বিবেচনায় গ্লাস ক্লিনার তৈরিতে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা অ্যামোনিয়া দ্রবণ (Y) সবচেয়ে উপযুক্ত।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও