পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
মানুষ হিসেবে আমাদের কারো পক্ষেই পরাধীনতাকে মেনে নেয়া সম্ভব নয়। আমরা প্রত্যেকেই তাই নিজের ইচ্ছে মতো কোন কিছু করতে পারা বা না পরার - অধিকার পত্যাশা করি। তবে সতর্ক থাকতে হবে যেন আমাদের এরূপ কাজ দ্বারা অন্যের ক্ষতি সাধিত না হয়।
- ক)(1)
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ কী?
- খ)(2)
নৈতিকতা বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে তোমার পঠিত কোন ধারণা প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে প্রতিফলিত ধারণার সাথে আইনের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে যেসকল রীতিনীতি, চিন্তা-ভাবনা, বিশ্বাস ও আচরণ জনগণের মানসিকতায় গড়ে ওঠে, তাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে (যেমন—সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও আইনের প্রতি আনুগত্য)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তরের এমন এক শুভচেতনা, অনুভূতি বা আদর্শিক মানদণ্ড, যা মানুষকে ভালো ও মন্দের পার্থক্য বোঝাতে সাহায্য করে এবং সৎ কাজ করতে উৎসাহিত ও অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখে। নৈতিকতার কোনো রাষ্ট্রীয় আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই, এটি বিবেক ও সামাজিক স্বীকৃতির ওপর নির্ভরশীল।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ে পঠিত 'স্বাধীনতা' (Liberty)-র ধারণা প্রতিফলিত হয়েছে।
সাধারণ অর্থে স্বাধীনতা বলতে নিজের ইচ্ছামতো যেকোনো কিছু করার ক্ষমতাকে বোঝায়। কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অন্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ বা ক্ষতি না করে নিজের ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপযোগী পরিবেশ ও কাজ করার অধিকারকে স্বাধীনতা বলে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মানুষ হিসেবে পরাধীনতা মেনে না নেওয়া এবং অন্যের কোনো ক্ষতি না করে নিজের ইচ্ছামতো কিছু করা বা না করার অধিকার প্রত্যাশা করা। এটি স্বাধীনতার রাষ্ট্রবিজ্ঞানসম্মত সংজ্ঞার সাথে হুবহু সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই উদ্দীপকে স্বাধীনতার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে প্রতিফলিত ধারণাটি হলো 'স্বাধীনতা', যার সাথে আইনের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও অবিচ্ছেদ্য। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
১. আইন স্বাধীনতার শর্ত ও অভিভাবক: রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জন লকের মতে, "যেখানে আইন নেই, সেখানে স্বাধীনতা থাকতে পারে না" (Where there is no law, there is no freedom)। আইন ব্যক্তির স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণ করে দেয়, যাতে সবল দুর্বলের স্বাধীনতা হরণ করতে না পারে।
২. আইন স্বাধীনতার পরিধি বাড়ায়: আইন সমাজের সব নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত করে স্বাধীনতার ক্ষেত্রকে বিস্তৃত করে।
৩. আইন স্বাধীনতার রক্ষক: আইন অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করে নাগরিকদের নির্বিঘ্নে স্বাধীনতা ভোগ করার নিশ্চয়তা দেয়।
৪. আইনের নিয়ন্ত্রণ স্বাধীনতাকে বজায় রাখে: উদ্দীপকে যেমনটি বলা হয়েছে—"সতর্ক থাকতে হবে যেন আমাদের এরূপ কাজ দ্বারা অন্যের ক্ষতি সাধিত না হয়"—এই সীমারেখাটি মূলত আইনই নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। সীমাহীন স্বাধীনতা প্রকৃতপক্ষে স্বেচ্ছাচারিতায় রূপ নেয়।অতএব, আইন ও স্বাধীনতা একে অপরের পরিপূরক ও সহায়ক; আইন ছাড়া কখনোই অর্থপূর্ণ স্বাধীনতা টিকে থাকতে পারে না।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও