‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২১

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

'ক' রাষ্ট্রের জনগণ দীর্ঘদিন যাবত স্বাধীনতার জন্য ঔপনিবেশিক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছিল। অবশেষে তাদের গণ্য আন্দোলনের চাপে বাধ্য হয়ে শাসকগোষ্ঠী ১৯০ বছর পরে দেশটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে, পৃথক দুটি রাষ্ট্রের জন্ম নিয়ে দেশ ত্যাগ করে।

  1. ক)

    ৩ জুন পরিকল্পনা কত সালে সংঘটিত হয়?

    (1)
  2. খ)

    মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সাথে তোমার পঠিত কোন আইনের সাদৃশ্য রয়েছে? উক্ত আইনের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্য আইনের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ৩ জুন পরিকল্পনা ১৯৪৭ সালে ঘোষিত/সংঘটিত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ সরকার ভারতের রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসন এবং ভারতীয় নেতাদের সাথে সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে আলোচনার জন্য ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার তিন সদস্যকে (লর্ড পেথিক লরেন্স, স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস ও এ. ভি. আলেকজান্ডার) নিয়ে একটি মিশন ভারতে পাঠায়। এই কমিশন ভারতীয় সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে যে সুপারিশমালা উপস্থাপন করে, তা 'মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনা' বা 'ক্যাবিনেট মিশন পরিকল্পনা' নামে পরিচিত।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সাথে আমার পঠিত ১৯৪৭ সালের 'ভারত স্বাধীনতা আইন' (Indian Independence Act, 1947)-এর সাদৃশ্য রয়েছে। উদ্দীপকে ১৯০ বছর পর ঔপনিবেশিক শাসন শেষে দেশকে দুই ভাগে বিভক্ত করে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা ব্রিটিশদের ১৯০ বছরের শাসনাবসান এবং ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইনের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    উক্ত আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিচে বর্ণনা করা হলো:
    ১. দুটি পৃথক ডোমিনিয়ন সৃষ্টি: ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম ডোমিনিয়ন সৃষ্টি করা হয়।
    ২. ব্রিটিশ শাসনের অবসান: এ আইনের মাধ্যমে ভারতে ব্রিটিশ সম্রাটের সার্বভৌমত্ব ও আধিপত্যের অবসান ঘটে এবং ভারত সচিব পদের বিলুপ্তি ঘটে।
    ৩. গণপরিষদের সার্বভৌমত্ব: নতুন সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত উভয় ডোমিনিয়নের গণপরিষদ নিজ নিজ দেশের আইনসভা হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং পূর্ণ সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের অধিকার লাভ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ আইনটি হলো ১৯৪৭ সালের 'ভারত স্বাধীনতা আইন'। ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসে এই আইনের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. ঔপনিবেশিক শাসনের সমাপ্তি: এই আইনের মাধ্যমে প্রায় দুই শতাব্দীর (১৯০ বছর) দীর্ঘ ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ও পরাধীনতার শাসনের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটে।
    ২. স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয়: এ আইনের মাধ্যমেই ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়, যা এই অঞ্চলের জনগণের রাজনৈতিক আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনে সহায়ক হয়।
    ৩. সার্বভৌম আইনসভার স্বীকৃতি: উভয় ডোমিনিয়নের জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আইনের কর্তৃত্ব রহিত হয় এবং গণপরিষদ সম্পূর্ণ সার্বভৌম আইনসভা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

    সুতরাং বলা যায়, দীর্ঘদিনের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন, যা ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন