জীববিজ্ঞান ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩

জীববিজ্ঞান ২য় পত্র প্রশ্ন

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

  1. ক)

    প্রজাতির সংজ্ঞা দাও।

    (1)
  2. খ)

    ত্রিপদ নামকরণ বলতে কী বুঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকটির পর্বগত বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

    (3)
  4. ঘ)

    'A'- এর ভিত্তিতে উদ্দীপকটির উপপর্বগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রকৃতিতে সর্বাধিক মিলসম্পন্ন একদল জীব, যারা নিজেদের মধ্যে মিলনের মাধ্যমে উর্বর সন্তান উৎপাদনে সক্ষম কিন্তু অন্য দলভুক্ত সদস্যদের সাথে যৌন মিলনে প্রজননগতভাবে বিচ্ছিন্ন, তাদের প্রজাতি (Species) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    গণ ও প্রজাতির নামের সাথে উপপ্রজাতির (subspecies) নাম যুক্ত করে কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নামকরণের পদ্ধতিকে ত্রিপদ নামকরণ (Trinomial nomenclature) বলা হয়। পাখিবিজ্ঞানী শ্লেগেল (H. Schlegel) ১৮৪৪ সালে এ পদ্ধতির সূচনা করেন। উদাহরণস্বরূপ- ভারতীয় চড়ুই পাখির বৈজ্ঞানিক নাম হলো Passer domesticus indicus।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের চিত্রটি কর্ডাটা (Chordata) পর্বের প্রাণীর সাধারণ মৌলিক দৈহিক পরিকল্পনার চিত্র নির্দেশ করে।

    কর্ডাটা পর্বের প্রধান শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
    ১. নটোকর্ড: ভ্রূণাবস্থায় বা আজীবন পৃষ্ঠীয় মধ্যরেখা বরাবর একটি দণ্ডাকার, স্থিতিস্থাপক ও অখণ্ডায়িত নটোকর্ড উপস্থিত থাকে (উন্নত প্রাণীতে এটি মেরুদণ্ড দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়)।
    ২. স্নায়ুরজ্জু: এদের দেহের পৃষ্ঠীয় মধ্যরেখা বরাবর নটোকর্ডের ঠিক উপরে একটি ফাঁপা ও নলাকার স্নায়ুরজ্জু (nerve cord) থাকে।
    ৩. গলবিলীয় ফুলকা রন্ধ্র: জীবনের যেকোনো দশায় বা আজীবন গলবিলের উভয় পাশে কয়েক জোড়া ফুলকা রন্ধ্র বিদ্যমান থাকে।
    ৪. পায়ু-পশ্চাৎ লেজ: ভ্রূণাবস্থায় বা আজীবন এদের পায়ুর পেছনে একটি পেশল লেজ থাকে।
    ৫. হৃৎপিণ্ড ও রক্ত সংবহনতন্ত্র: এদের হৃৎপিণ্ড অঙ্কীয়দেশে অবস্থিত এবং রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ প্রকৃতির।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত 'A' অংশটি হলো নটোকর্ড (Notochord)। নটোকর্ডের উপস্থিতি, স্থায়িত্ব ও রূপান্তরের ওপর ভিত্তি করে কর্ডাটা পর্বকে তিনটি উপপর্বে (Sub-phylum) বিভক্ত করা হয়েছে: ১. ইউরোকর্ডাটা (Urochordata), ২. সেফালোকর্ডাটা (Cephalochordata), এবং ৩. ভার্টিব্রাটা (Vertebrata)।

    'A' বা নটোকর্ডের ভিত্তিতে এই উপপর্বগুলোর তুলনামূলক বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো:

    ১. ইউরোকর্ডাটা (Urochordata):
    এ উপপর্বের প্রাণীদের নটোকর্ড কেবল মুক্তজীবী লার্ভা দশায় লেজে উপস্থিত থাকে। কিন্তু পরবর্তীতে রূপান্তরের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে পরিণত হলে লেজটি বিলুপ্ত হয় এবং সাথে সাথে নটোকর্ডও সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায়। অর্থাৎ এদের পূর্ণাঙ্গ দশায় নটোকর্ড থাকে না।

    ২. সেফালোকর্ডাটা (Cephalochordata):
    এদের ক্ষেত্রে নটোকর্ড দেহের সম্মুখ প্রান্তের রোস্ট্রাম থেকে শুরু করে পশ্চাৎ প্রান্তের লেজ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এদের নটোকর্ড লার্ভা থেকে শুরু করে আজীবন অপরিবর্তিত অবস্থায় অক্ষুণ্ণ থাকে; এটি মেরুদণ্ডে রূপান্তরিত হয় না।

    ৩. ভার্টিব্রাটা (Vertebrata):
    এ উপপর্বের প্রাণীদের ক্ষেত্রে নটোকর্ড কেবলমাত্র ভ্রূণাবস্থায় বিদ্যমান থাকে। ভ্রূণীয় বিকাশের সাথে সাথে পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় নটোকর্ডটি ক্রমান্বয়ে তরুণাস্থিময় বা অস্থিময় কশেরুকা দ্বারা গঠিত মেরুদণ্ড (Vertebral column) দ্বারা সম্পূর্ণরূপে প্রতিস্থাপিত হয়।

    অতএব, দেখা যায় যে নটোকর্ডের স্থায়িত্ব ও পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে কর্ডাটার তিনটি উপপর্বের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন